
ছাত্রলীগ শুধমাত্র একটি ছাত্র সংগঠন নয়
এটি একটি প্রতিষ্টান একটি সমাজ রাষ্ট ও
জাতীকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নেতা বা
শাসক তৈরির যোগ্যতম কারখানা,যে
কারখানার মাধ্যমে বাংলাদেশের ৮০%
নেতা এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠন থেকে
তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ বা অন্য কোন
দেশে এই রকম ছাত্র সংগঠন দ্বীতিয়টি
আর নেই।
ছাত্রলীগ একটি জীবন্ত ইতিহাস,এই রাষ্ট
বা জাতীর যত সফলতা সবই এসেছে
শিক্ষা শান্তি প্রগতির ধারক বাহক মুক্তি
যুদ্ধের চেতনায় উজ্জবিত ছাত্র সংগঠন
ছাত্রলীগের হাত ধরে,আজ সেই ছাত্র
লীগের একজন কর্মীকে নৌকার পক্ষে
ভোট করার অপরাতে চুরের মত খুনী
মামলার আসামীর মত পুলিশ বিজেবি
আটক করে আর ম্যাসিষ্টেট সাহেব বিনা
অপরাতে ২ বছরের সাজা দিয়ে দিলেন!
আর আমাদের জাদরেল নেতারা শাড়ি
চুড়ি পড়ে এসি রুমে বসে বসে তামাসা
দেখতেছে, এর চাইতে লজ্জা আর কিছু অাছে কি?
পাটি বিরোধীদলে থাকলে রাজপথে
লড়াই সয়গ্রাম করে,খেয়ে না খেয়ে
প্রিয় দলকে ক্ষমতায় আনে দলের ভ্যান
গাট হিসাবে পরিচিত ছাত্রলীগ যুবলিগ
এর কর্মীরা কিন্তু হালুয়া রুটি খাবে নেতা
ও তাদের চামচারা,।
দলের সিনিয়র নেতারা তাদের ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষার গ্রুুপিং সৃষ্টি করে,আর সেই
গ্রুুপিংর নিমর্ম শিকার হয় কর্মীরা।
সেই গ্রুুপিং রাজনীতির যাতাকলে পড়ে
কত অসহায় কর্মীর জীবন প্রদীপ নিভে
যায় অকালে,কিন্তু আমাদের মহান নেতাদের কিছু হয়না,আমি মনে করি
চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ
সম্পাদক রনি সিনিয়র নেতাদের বিকৃত
লালসার শিকার।
দল ক্ষমতায় থাকলেও কর্মীরা পুলিশ
বিজেবির নির্যাদন সহ্য করবে জেলে যাবে এবং ক্ষমতার বাইরে থাকলেও
জেলে যেতে হবে কিন্তু কেন? কি অপ
রাত,কর্মীদের ? দল ও নেত্রীকে ভাল
বাসায় কি কর্মীদের অপরাত?
আমিও একজন সাবেক ছাত্রলীগের কর্মী
হিসাবে একজন ছাত্রলীগের কর্মীর উপর
আঘাত সহ্য করতে না পেরে আমি অধম ফেইচ বুকের মাধ্যমে প্রতিবাদ
করতে বাধ্য হলাম।
আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাদের
প্রতি আহব্বান জানাই রণিকে মুক্ত
করতে আইনি লড়াই ও রাজপথে
আন্দোলন চালিয়ে যান, আমরা যারা
সাবেক হয়ে গেছি আমরাও আছি
আপনাদের পাশে।
অামি দ্রুুত রণির মুক্তি চাই,ওকে ওর
মমতাময়ী মায়ের বুকে ফিরিয়ে দেওয়া
হউক।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০১৬ সকাল ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


