somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপন তারিক ও আমি (4)> জীবনের অনেক ধাক্কাঁর মধ্যে ...

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবনকে চিনতে শিখেছি । অনেক ছোটবেলা থেকেই । প্রথম জানা হলো ধূমপানকে কেন্দ্র করে, দ্্বিতীয় জানা হলো যে, নারী ও পুরুষ এক নয় ।

তৃতীয়তে মৃতু্য --এর আবার দুইটি ভাগ রয়েছে, প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষ -- হারানোর ব্যথা তখন থেকেই অনুভব করতে শিখি--সবাইকে দেখে আমিও কেদেঁ ফেলি । কিন্তু এই কান্নার উৎস আমার থেকে আসে নি । অথর্াৎ উৎস যতক্ষণ না খনন করতে পেরেছি, ততক্ষৎ এই কান্না আমার সম্পূর্ণ অনর্্তনিহিত নয় ।

চতুর্থ তে আবার হারানোর দু:খ --এখানে বুঝা যায় --মানুষ রক্তের সম্পর্ক না হলেও আত্নীয় হয়ে যায় (আত্নার সাথে যার সম্পর্ক সেই আত্নীয়) -- তবে এখানে এমন মানুষদের কথা বলা হচ্ছে যে, এরা আমার থেকে দূর অবস্থানে চলে গেছে, তবে ইচ্ছে করলেই তাদের কাছে ফিরে যাওয়া যায়, কিন্তু সময় ও পাত্র আমাদের তা করতে বাধ্য করে না ।

পঞ্চমতো আবার চিরচেনা ব্যক্তির দূরে চলে যাওয়া -- বিশ্বাসই হয়না যে, কেউ আমাদের ছেড়ে চলে গেছে ।

6ষ্ঠ এবারও হারানোর দু:খ -- তবে এখনে প্রমাণ হয় যে, মানুষ মানুষকে ছাড়াও অন্য কোন প্রানীকেও আপন করে নিতে পারে , ভালবাসতে পারে, মূলত অনেক দিনের সঙ্গীর অভাব তো অনেকেই ভাববে তাই নয় কি । তখন নয়নযুগল দিয়ে গড়িয়েঁ গড়িয়েঁ জল পড়েছিল । এটি ছিল অনর্্তনিহিত ভালবাসা যেভাবে নিংড়ে বের হয় ঠিক সেভাবে । আমি নিজেও কল্পনা করতে পারি নি নিজেকে । কিন্তু এত মায়া মমতা আল্লাহ কেন দিয়েছে । আমার মধ্যে মমতার অংশ কম থাকা স্বত্তেও এই জালে আটকে যাই । বিধাতার(আল্লাহর) কি অদ্ভুত কিন্তু সুন্দর নিয়ম!

7তম এ প্রেম ভালবাসার প্রতি ধারণা পেলাম । চেষ্টা করেছি এসব থেকে দূরে থাকতে । কারণ নিজস্ব বাস্তব অভিজ্ঞতা একেবারেই নেই, আছে তবে পরিচিতদের থেকে । তখন থেকে বুঝতে পারলাম যে, কেন পুরুষ এবং নারী তাদের রুচি , পোষাক আশাক ঘন ঘন পরিবতর্ন করে । আকৃষ্ট করা কি এতই সোজা ! ? বুঝলাম নারীরা এমনেই এরকম, কিন্তু জীবজগতের মধ্যে সাধারণত পশু-পাখিরা(পুং লিঙ্গ) তাদের সৌন্দর্যপ্রদশর্ন করে । মানুষদের বেলায় এই ক্ষেত্রটা ভিন্ন হলেও যুগের পালে হাওয়া লেগে ব্যাপারটা মানুষদের বেলায়ও খেটেঁ গেছে । না, আমি কি কোন তর্কে যুক্তিতে মত্ত্ব হতে চাই না, আমি শুধু মনের কথা ব্যক্ত করছি । পারিবারিকভাবে খুবই শক্ত অবস্থানে ছিলাম এসবের বিপক্ষে তাই কপাল ভাল, এই ঝামেলায় তেমন যাই নি ।

8তম আবারও কাছের মানুষের হারানো সুর । তবে এখানে এমন মানুষদের কথা বলা হচ্ছে যে, এরা আমার থেকে দূর অবস্থানে চলে গেছে, তবে ইচ্ছে করলেই তাদের কাছে ফিরে যাওয়া যায়, কিন্তু সময় ও পাত্র আমাদের তা করতে বাধ্য করে না । তবে পূর্বে যেরকম দ্রুত সাক্ষাৎ হত তা হয়ে উঠেনি । হয় তাও বছর ঘুরে, আর এখনতো কোন যোগাযোগই নেই ।

9তম এই ঝামেলার কথা টপ সিক্রেট

10তম এই সময়ের কথাও টপ সিক্রেট

11তম এই মানসিক অবস্থাটাও টপ সিক্রেট

তারপরতো ধাক্কাঁর পর ধাক্কা লেগেই আছে....

এই তো মিথিলা সাহেবার মৃতু্যতেও ধাক্কারঁ সম্মুখীন হয়েছি, আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, কারণ কেউ হারিয়ে যেতে পারে সব সময়ের জন্য এই চরম সত্যকে আমি হালকাভাবে দেখতে পারি না, আজও মনে হবে, পরেও মনে হবে সে আমাদের মাঝেই সাধারণের মত আছে । কিন্তু বাস্তবে নেই । যদিও পরিচয় ভর্াচুয়াল এ সমাপ্তিও ভাচর্ুয়াল এ কিন্তু আবেগটি বাস্তব । নাকি আবেগটিও ভর্াচুয়ল্ল জগতের ????????????????

সত্যিকার অর্থে মিথিলার জানের কথাটি আমার প্রথমেভাল লাগে নি, কারণ আমি ভালভাসা(প্রেম ব্যাপারটাকে) সব সময়ই এড়িয়ে চলি । one and only and forever তত্ত্বে আমি বিশ্বাস করি, তাই এই ভালবাসার সূত্রের সাথে অনেকেই দ্্বিমত পোষণ করেন । আমি বলি অন্তত কাছকাছি থাকার চেষ্টা করা উচিত । one and only and forever হয়ত সবার পক্ষে সম্ভব হয় উঠে না,তবে চেষ্টা করতে সমস্যা নেই । কিন্তু মিথিলার লেখা পড়ে তার সম্বন্ধে ভাচুয়াল ধারণায় এই ঠেকল যে, সেও one and only and forever ধারণায় বিশ্বাসী , তাই তার ভালবাসাকে স্বীকৃতি দিতে কোন বাধাঁই নেই ।

তারঁ সাথে আমার বেশী কথা হয় নি । বরং আমিই বক বক করে গিয়েছি । আমি বিশ্বাসই করতে পারি না, যার সাথে সুস্থ হবার যুক্তি খন্ডন হবার কথা ছিল, সে আজ আর আমাদের বাস্তব জগতে নেই । বারযাখ(মৃতু্যর পর এবং হাশর ময়দানে জাবার পূর্ব পর্যন্ত যে স্থানে মানুষের আত্না অবস্থান করে) নামক স্থানে তার বসবাস, দেখা হলেও পরবতর্ীতে দেখা হতে পারে ।
খারাপ লাগছে । সম্পূর্ণ শরীর এর লোম দাড়িয়েঁ আসছে । ভয় আমারও হচ্ছে ।....

এটিও আমার জীবনের অনেক ধাক্কাঁর মধ্যে একটি ।

লেখাটি আমি উৎসর্গ করব না ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×