somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রিফু আলম
আমি রিফু।বয়স সদা পরিবর্তনশিল।তাই বয়সের কাছে হাত পাতি না।পেশা বলতে কিছুই নেই,ছাত্র মানুষ।আমৃত্যু ছাত্র।রগচটা।মুখে হালকা দারি।শেভ করা পছন্দ করিনা।চুল ২ মাসে একবার কাটি।গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামলা(লোকে বলে)।আমি বাঙ্গালি,ভাত মাছ পছন্দ,মাংস খাইনা,আবার খাওয়া হয়,

হঠ্যাৎ দেখা বন্ধু।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকদিন আগে এক রাতে চা খাওয়ার জন্য রাস্তায় বের হই।এক মহিলা বয়সের একজন নাড়ির হঠ্যাৎ আগমন,তাকে দেখে কারোরি বুঝার বাকি থাকবেনা সে কে! রাতের পন্য।
তাকে ,জিজ্ঞাসা করছিলুম,আচ্ছা আপনি কে, এমন করছেন কেন?
সে বল্লো বুঝিস না আমি কে?মজা লস।
ও, আচ্ছা, আআমার কাছে কি চাই,(ভয় পাইছিলুম)।
একটা প্রশ্ন করবো আপনাকে?:আমি বললাম।
সে অনেকটা অবাক হয়ে গেল মনে হয়,কারন কেও তাদের প্রশ্ন করেও না,আপনে করেও সম্বোধন ও করেনা।
যাই হোক অনুমতি পাওয়ার পর বললাম"আপনি জীবিকার জন্য এ পেশা কেন বেছে নিলেন?
তার চোখ গুলার দিকে তাকিয়েই বললাম।আর লক্ষ্য করলাম তার ভিজে আসা চোখ জোরা।
এই ভিজে আসা চোখ জোরাই অনেক বাস্তবতার উত্তর দেয়,
তবুও তিনি কিছু উত্তর দিলেন:তার বাড়ি চাদপুরে,নদি সব গ্রাস করার পর ভিটে মাটি হিন,এদিকে তার স্বামির ও কোন খোজ নেই,পেটের টানে অভাবে ঢাকার জন্য লঞ্চে উঠা,শুনেছে ঢাকায় নাকি কাজ পাওয়া যায়,প্রথমে পরিচিত এক জনের বস্তিতে আশ্রয় নিয়ে ভাল একটা কাজ খোজার চেষ্টা করেন।অনেক দিন হয়ে গেল কিছুই করতে পারলেন না।এদিকে অই আত্বিয়ের স্বামিও তাকে জ্বালাতন করতো,বিয়েরো প্রস্তাব দিয়ে ছিল।
তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আসেন।
ক্ষুধার জ্বালায় দিন কাটতো,হোটেলের বুয়া হিসেবেও ছিলেন কয়েক দিন,সেখানেও একি কান্ড,সবাই তার দেহের কান্ডারি।চলে আসেন।
রাস্তায় দিন কাটান,না খেয়েও কাটান বা শুধুই পানি,মানুশের দারে দারে ঘুরেছেন,কেও খাবার চাকুরি কিছুই দেয়নি।
রমনা পার্কের পাশে ক্লান্তি,ক্ষুদার জ্বালায় বিমর্ষ ঘুমিয়ে ছিল,হঠ্যাৎ এক মহিলাকে দেখলো,মুখে মেকাপ হাতে ব্যাগ,একটু সামনে তাকাতেই আরো কয়েক জন,এতক্ষন কেও ছিলনা হঠ্যাৎ তারা কোথা থেকে এলো।
এক গাড়ি থেকে নামলো আরেকজন গাড়ি তে উঠলো।ওমা হাতে টাকা।
একজন কে জিজ্ঞাসা করলো "আমাকে একটা কাম দেওন যাইবো?"
আমার কেও নাই"
তার দিকে অই মহিলা তাকালো,"কাম করবি?"
খাস নাই কিছু,খাবি চল,"
তার ইকটু বাচার আশা জাগলো,আবার খাবারের নাম শুনে কি কাজ সেটা জিজ্ঞাসাই করতে ভুইলা গেছে।
একটা হোটেলে খাওয়ার পর, তাকে অই মহিলা বল্লো চল আমার সাথে, একটা ঝুপরিতে নিয়া গেল,তাকে সাজিয়ে দিল,এ কেমন সাজ সে নিজেও বুঝতে পারলো না।
তাকে নিয়ে অই মহিলা গড়িতে উঠে পড়লো।নিয়ে গেল এক ধনি বাবুর বাসায়,তাকে দার করিয়ে অই মহিলা অই লোকের কানে কানে কি জেন বল্লো,আর যাওয়ার সময় বল্লো,১ ঘন্টা পর ফিরে আসবে সে, এবং সে থাকতে এখানে।
অই মহিলা চলে গেল,আর অই বাবুটি হয়ে গেল অন্য রুপি ছোটলোক,আর সেই থেকে সে আজকের পতিতা।
এখন তার অভাব নেই,পেটে ক্ষুদা নেই,আছে টাকা,আছে পাশবিকতার পরবর্তি শান্তি,মনের না হোক পেটের শান্তি,তার কিছু যায় আসে না এই সমাজ তাকে কি বল্লো।সে ভাল আছে,।
হঠ্যাৎ একটা গাড়ি আসলো সে চলে গেল,তার গন্তব্যে।
তার সাথে আবার দেখা হয়ে ছিল, রম্নার মোড়ে,জিজ্ঞাসা করছিল শুধু কেমন আছি!
খদ্দের চলে আসায় আর কথা হয় নি।।।।।।।।।।।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:০৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

ট্রাম্পের উপর ওভার ট্রাম্প!

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি হয়েছ- সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে একটি সদস্য রাষ্ট্রের ওপর সশস্ত্র হামলাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×