somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসাধারণ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল।

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



অবশেষে ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষ হলো। একটি অসাধারন বিশ্বকাপ ফাইনাল আমরা উপভোগ করলাম। সত্যিই চমৎকার একটি খেলা ছিল। ক্রিকেট খেলা যে কতটা টেনশনের হয় তার সবক'টা এই ম্যাচে ছিল। ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১১, ২০১৫ সালের সব কয়টি ফাইনাল ম্যাচ ছিল এক ঘেষে। খেলা শেষহবার বহু আগেই বুঝা গিয়েছিল কে বিশ্বকাপ পেতে যাচ্ছে আর ১৯৯৯ থেকে শুরু করে ২০১৫ পর্যন্ত সব বিশ্বকাপতো অস্ট্রেলিয়াই পেয়ে আসছে শুধুমাত্র ঐ ২০১১ সাল ছাড়া। এবারের বিশ্বকাপ শুরু হবার আগে থেকেই আমার ফেভারিট ছিল ইংল্যান্ড দল। তাদের দলটাকে ১৯৯২ সালের দলের থেকেও শক্তিশালী মনে হয়েছে। তবে ফাইনালে যে নিউজিল্যান্ড যাবে সেটা ভাবিনি। ভেবেছিলাম আইসিসির সহায়তায় হয়তো ভারত যাবে অথবা সাউথ আফ্রিকা বা অস্ট্রেলিয়া যাবে ফাইনালে। মনে মনে চাচ্ছিলাম অস্ট্রেলিয়া যেন ফাইনালে না যায় কারণ ওদেরকে ফাইনালে দেখতে দেখতে একঘেয়ে হয়ে গেছে। আর অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে যাওয়া মানেই বিশ্বকাপ জেতা।



ইংল্যান্ডের জন্য এই বিশ্বকাপ জেতা উচিত ছিল কয়েকটি কারণে। প্রথম কারণ হলো এবারের ইংলিশ দলটাকে বেশ শক্তিশালী মনে হয়েছে। ১৯৯২ সালের দলের পর কোন বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলকে এতোটা দক্ষ মনে হয়নি। অসাধারণ সব খেলোয়াড়ে ভরপুর এবারের ইংল্যান্ড দল। আর দ্বিতীয় কারণ হলো বেচারা ইংলিশ দল ইতোমধ্যে ৩বার ফাইনালে খেলে ব্যর্থ হয়েছে। ১৯৭৯, ১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে গিয়েও তারা ট্রফি জিততে পারিনি।

অবশেষে ইংল্যান্ড দল ফাইনালে গেলো সাথে গেলো নিউজিল্যান্ড। ফাইনালে গিয়ে নিউজিল্যান্ড চমক লাগিয়ে দিয়েছে। ফাইনাল খেলাটা এমন ছিল যে মনে হচ্ছিল দুই দলই সেরা। খেলোয়াড়রা তাদের সেরা খেলাটা দিয়ে লড়েছিল বিশ্বকাপ জিততে। এতো শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল আগে কখনই হয়নি। এটা আমার সাথে যে কেউই স্বীকার করবেন। সেই ১৯৯৯ সালের সেমি ফাইনালের খেলাটি সাসপেন্সে ভরা ছিল যে ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া। আমি মনে করি সেই ম্যাচের থেকেও অসাধারণ, জটিল খেলা ছিল এটি। চমৎকার একটি ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতলো এবং এই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ পেলো। সাবাশ জানাই ইংলিশদের। তারা যোগ্য দল হিসেবেই বিশ্বকাপ জিতেছে।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাজে যোগদান ভুল হচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকায় শীপমেন্ট বন্ধ থাকার কথা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১৭



গত ৪০ বছরে, গার্মেন্টস'এর মালিকরা ও অন্যান্য মধ্যভোগীরা যেই পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে, তাতে তাদের কর্মচারীদের বিনা কাজে ২/১ বছর মিনিমাম বেতন দেয়ার ক্ষমতা তারা রাখে। গার্মেন্টস'এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ কেলা?

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮




মানুষ মারার সব আছে, আহত অথবা অসুস্থ মানুষকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার কিচ্ছু নেই। কেন জানেন? আঁতেলরা বলেন, মানুষ মানুষকে মারতে পারে, মানুষ মানুষকে বাঁচাতে পারে ন। জন্ম মৃত্যু মুসলমানদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

— করোনার সাথে পথে চলতে চলতে———

লিখেছেন ওমেরা, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



সারা পৃথিবী লক-ডাউন হয়ে আছে কভিড- ১৯ করোনা আতংকে। মানুষের প্রতিটা মূহুর্ত কাটছে ভয় আর উৎকন্ঠায়। এই মূহুর্তে সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র ব্যাতিক্রম দেশ,সেই দেশের বাসিন্দা আমি, নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

থটস

লিখেছেন জেন রসি, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৬





১৮৪৬ সালে মার্কস এবং এঙ্গেলস মিলে “The German Ideology” নামে একটা বইয়ের পান্ডুলিপি লিখেছিলেন। কিন্তু বইটা প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে। এই বইতে তারা শুধু ভাববাদকেই না ফয়েরবাখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কমপক্ষে গার্মেন্টস'এর ছুটিটা নিজ হাতে কন্ট্রোল করতে পারতো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৫২



শেখ সাহেব জানতেন যে, উনার মেয়ে বুদ্ধিমতি নন, সেজন্য মেয়েকে রাজনীতিতে আসতে দেননি; কিন্তু রাইফেল জিয়া শেখ হাসিনার জন্য পথ রচনা করে গেছে। কমবুদ্ধিমানরা অনেক সময় খুবই নিবেদিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×