যারা কোটি টাকার আম বিষাক্ত করে তারা কৃষকও নয় খুচরা বিক্রেতাও নয়। তারা মধ্যস্থ কারবারী এবং মুনাফার লোভে অপরিণত আম পাকায় ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে আর সেই আমে প্রয়োগ করে ফরমালিন।
কৃষকরা তাদের বাগান বিক্রী করে দেয় ব্যবসায়ীদের কাছে। আর বড় বড় ব্যবসায়ীরা বাগানকে বিষাক্ত করে।
হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়ে ভাগ পায় প্রশাসন, রাজনীতিক এবং আরো অনেকে। অতএব তাদের ধরা সাধ্য কার?
মাত্র দু পয়সার খুচরা ব্যবসায়ীদের ফল বিনষ্ট করাটা বাহাদুরি নয়। যারা ফল বিষাক্ত করে ঢাকায় নিয়ে এলো তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে যায় কিভাবে? যারা ফলে কার্বাইড দেয়, ফরমালিন দেয় এমনকি ক্ষতিকর কেমিকেল দেয় অধিক মুনাফার জন্য।
বড় লোক ব্যবসায়ীকে বাঁচিয়ে গরীব ব্যবসায়ীকে সর্বস্বান্ত করে দেশপ্রেমিক বা স্বাস্থ্য সচেতনতার নমুনা দেখানোর কোনো প্রয়োজন আছে কি?
বিষাক্ত আম নষ্ট করতে হবে এবং তা খুচরা বিক্রেতার হাতে আসার আগেই। তবেই বোঝা যাবে- আপনারা কত পারেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


