somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এলোমেলো ভাবনা

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমার অগোছালো লেখার জন্য। সেই সাথে সবাইকে অনুরোধ করছি আমাকে যেন কোন দলীয় ব্লগার আক্ষা দেওয়া নয়।
আমরা কোন আজব দেশের রাজনীতির স্বীকার হচ্ছি? আমি/আমরা, তুমি/তোমরা, আপনি/আপনারা অদৃশ্য বন্দী হয়েই জীবন পার করতে হবে? আসলেইতো আমরা একটা কারাগারে আছি, তাই না? সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আর আমাদের মধ্যে (সাধারন জনগনের) পার্থক্য হলো- কয়েদিরা ছোট একটি প্রাচিরে আবদ্ধ আর আমরা বৃহত একটি প্রাচিরে আবদ্ধ। কয়েদিরা চলেন জেলার সাহেবের তত্তাবধানে আর আমরা চলি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের তত্তাবধানে। আজ সরকার বলছে আমি যেইভাবে বলব সকল দলকে সেই ভাবেই মানতে হবে। বিরোধী দলের আপত্তি, ডাক দেয় হরতাল কিংবা অবরোধ হুজুরদের হুকুম আমাদের বাধ্য হয়ে মানতেই হয়। ভোগান্তি ভারে জনগনের ২০ টাকা সবজি ৪০ টাকা তাছাড়া কর্মস্থলে পৌছতে ব্যয় হওয়ার কথা ১২ টাকা সেইখানে গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা। আমরা তার পরেও এই রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিয়ে শুরু করি অফিস, চায়ের দোকান, পাড়া/মহল্লায় কথা কাটাকাটি কিং হাতাহাতি অথবা একজন আরেকজনকে জগন্যভাষায় গালাগাল। বিনিময়ে নিজেদের লোকসান ছাড়া কিছুই আসছে না। আমরা কোথায় দিয়ে দাড়াব একটিবারের জন্য বলতে পারেন কেউ? কি লাভ তাদের জন্য (নেতাদের) মারপিট করে? আমাকে/আপনাকে কর্ম/শ্রম দিয়েই খেতে হবে, জীবিকা নির্বাহ করতে হবে। মাঝ খানথেকে শুধু রাজনৈতিক নেতার পকেট ভারি করে দিচ্ছি আমরা সাধারন জনগন।
আমরা কোন রাজনৈতিক প্রতি হিংসার শিকার হতে চাইনা। চাইনা সেই প্রভাব আমাদের সন্তানদের উপরও প্রভাব বিস্তার করুন। আমরা শুধু চাই শান্তি, শৃংখলা আর নিরাপত্তা।
দয়া করে করে আমাদের একটু নিরাপত্তা দিন- বাসায়, রাস্তায়, অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×