অমুক মিয়া’র সংসার যত বড় , কিন্তু তার আয় তত ছোট !!
ছেলে-মেয়ে , বাবা-মা সবার ভরণপোষন অমুক কেই করতে হয় ।
দিনের বেলা হাই স্কুল, প্রী-ক্যাডেট স্কুলের সামনে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে ,
আর সন্ধ্যার পর রাত পর্যন্ত রিক্সা চালায় ।
অমুক মিয়ার ছোট্ট ছেলেটার নিউমোনিয়া হয়েছে , শহরের বড়
ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে ।অনেক টাকার দরকার ও বটে ।
সকাল থেকে ।এ ঝাল মুড়ি ঝাল মুড়ি করে চিল্লালেও বিক্রি হচ্ছে না ।
৭/৮ বছর ঝাল মুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে অমুক মিয়া, কিন্তু
ইদানিং কেন যেন স্কুলের ছেলে পেলে ঝাল মুড়ি তেমন কিনছে না ।
২/৩ দিনের মধ্যে ডাক্তারের কাছে না নিলে হইতো ছোট্ট বাচ্চাটাকে
বাঁচানো যাবে না । মুড়ির গামলা নিয়ে বসে বসে নানা দু:চিন্তা মাথায়
ঘুরপাক খায় অমুক মিয়ার । আর এইদিকে প্রান ঝাল-মুড়ি, রুচির ঝাল মুড়ি
বাজার সয়লাব হয় ।
হাতি যদি ঘাস খায় , তবে ছাগল গরু কি উপায় ? প্রান , স্কয়ার এর মত
শিল্পগোষ্ঠী যদি ঝাল মুড়ি বিক্রি করে তবে ….. ঐসব ঝাল মুড়ি বিক্রি করে যাদের
সংসার চলে তারা কোথায় যায় ???
(ব্যাক্তিগত মতামত , কেউ যুক্তি দিবেন না)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


