একুশে টিভি ছেড়ে আসার দুইমাস পর অন্য টেলিভিশনে যোগাযোগ শুরু করেছিলাম। মাত্র ৩টি চ্যানেলের অনুস্টান বিভাগের প্রধানদের সরাসরি ফোনে বলেছিলাম কাজ করতে চাই। দুইজন সিভি দেয়া বা না দেয়া প্রসংগে কোন কথাই বললেন না।শুধু একজন মাত্র কথা বললেন, ডেকে নিলেন, তিনি দেশ টিভির আলমগীর ভাই সর্বাত্মক চেস্টা করেছেন। তার আন্তরিকতা ছিলো বরাবরের মতন। একটি নিউজ চ্যানেলে সরাসরি গিয়েছিলাম আমার সাবেক দুই সহকর্মী বন্ধুর সাথে। এর বাইরে সরাসরি কোথাও যাওয়া হয়নি।
এরমাঝে এক আপা হঠাত একটি প্রজেক্টে ডেকে নেন, যেখানে ৪ মাসের চুক্তিতে কাজ করা। এইখানে কাজ করার সময় একটি চ্যানেলের এইচআর, জিএম ডাকেন ( অন্য চ্যানেলের অনুস্টান প্রধানের অনুরোধে)। সেখানে কর্পোরেট ব্যবস্থাপনার দীর্ঘসুত্রিতায় হাল ছাড়ার আগে দু' চার কথা শুনিয়ে চলে আসি।এরপর একটি নতুন চ্যানেলে যোগাযোগ, যা আসি আসি করছে। নানান জঠিলতায় সেখান থেকেও হতাশার ছায়া আমার পিছু ছাড়ে না।
কিছু বড়ভাই বিভিন্ন চ্যানেলে গুরুত্বপুর্ন দায়িত্বে আছেন। তাদের অনেকেই জানেন - আমি কোথাও নেই। নানান সময় তাদের সাথে কথা হলেও চাকুরী করছি কিনা, আছি কোথায় , কখনো জানতেও চাননি। অথচ উনাদের কাছে অনেক অধিকার ও দাবী আছে বিশ্বাস করতাম। সেই বিশ্বাসও আজ ভুল প্রমানিত হয়েছে!
আজ অনেক ভেবে দেখলাম, আমার মতন যারা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাদের কপাল পোড়া। কারন এই অভিজ্ঞতাই হয়েছে কাল। বকলম, হাতুড়েদের চাকুরি হওয়া সহজ কিন্তু অভিজ্ঞদের কোন দাম নেই। কিছু মানুষ যখন ভাবেন, "যেহেতু চাকুরী নেই, ঘুরাই কতদিন। "
ভাবখানা এই যেন পানিতে পড়ে গেছি। তিনি বা তারা চাকুরি না দিলে উদ্ধার পাবো না!
বলতে দ্বিধা করি না, "এইসব অনেকদের কাছে আজ যেতে হচ্ছে, একসময় এরাই আমার কাছে নানান বিষয়ে ফোন করতেন। " সময়ের সাথে এদের পরিবর্তনে অবাকই হচ্ছি। কিন্তু এদের অনেকের চরিত্র, হাড়ির খবর জানা আছে। কারো সম্পর্কে মুখ খুলতে চাই না। তবে মানুষগুলিকে আরো ভাল করে চিনলাম।
আর কটা দিন অপেক্ষা। যদি কোথাও কিছু না হয়, চাকুরির নাম আর মুখে নয়।
মিডিয়ায় যদি ফিরি, ফিরবো নিজেদের কোন প্রতিস্টান নিয়ে!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



