ধরুণ দেশ নেই পায়ের তলায়, কিন্তু আপনি হাঁটছেন, নির্দ্বিধায়, কারন আপনি তো জানতেনই যে দেশ নেই পায়ের তলায়! ধরুন, এভাবে হাটতে হাঁটতে কোথাও ওপৗছাচ্ছেন না, আপনিতো জানতেনই কোথাও পেীাছেতন না--এ আর নতুন কি! ধরুন, তবু গায়ে আগুন লেগে গেলে কি তখনও ভাববেন, আপনি জানতেনই আগুন লাগবে? আর নিদ্বির্ধায় কি আপনি পোড়ে যাবেন? না মনে হয়। আসলে আপিন পুড়তে চাইবেন ন, আগুন নেভানোরই চেষ্টা করবেন। এমন কি আপনি যদি বিশুদ্ধ কবি' হওয়ার পণও করে থাকেন! যদিও আপনার হাঁটতে দেশ লাগে না, রাজনীতি লাগে না, লোকজন লাগে না, কিছুই লাগে না, আপনার অন্তরলোকেই সব পাচ্ছেন_ অতএব চোখ বুজে হেঁটে যাবেন-- এমনটাই কি আমাকে ভাবতে বলবেন? না গায়ে আগুন লাগলে, আগে আগুনই নেভাবেন বলে আমি মনে করি! নিজের অন্ধকার স্বপ্নলীন আত্মা থেকে মাঝে মাঝে বেরিয়ে আনুস প্লিজ, আর দেখুন রানা প্লাজা ধ্বসে পড়েছে এদেশের দায়িত্বশীল প্রশাসনের বহুবছরের দায়িত্ব অবহেলা আর শিল্পমালিকদের পরিকল্পি শোষণ-যন্ত্রের শিকার হয়ে! এক বছর পার হয়ে গেলো। দেখুন, বিশুদ্ধ কবি'রা, তারা কেউ আপনার মা বোন নয়! আর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলুন একবার। দেখুন, তারা এমনকি বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের দুর্ঘটনা-উত্তর দুর্দশার জীবন চারলয়ে নেয়ার অধিকারটুটুই পাচ্ছেন না! আপনার বিশুদ্ধ কবিতা' কোনদিনও তারা পড়ে না, এই ভেবে আপনি কি স্বস্তির নিঃশ্বিাস ফেলবেন আরো একবার? কিংবা এখনো বলবেন, আপনি জানতেন,কবিতা লিখে কিছু হতো না_ এ সমস্যা কাটবতা না! কিন্তু কবিতা না লিখেও থাকা যায় তাদের পাশে! মানুষের পাশে শিল্পে উত্স জীবন হয়ে থাকলে, জীবনের পাশে শিল্পীদের থাকতেই হবে! কিন্তু 'বিশুদ্ধ কবি'দের হাজার মানুষের মরে যাওয়াতে কিছু আসে যায় না।
চোখ মেললেই, 'বিশুদ্ধ কবিতা'র হাইমেন ফাটার শব্দ শুনতে পাবেন-- কিন্তু 'বিশুদ্ধ কবিতা'র গায়ে চাবুকের কালসিটে দাগ তবু ধরা পড়বে না!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



