ক্যানভাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রংতুলির আঁচড়গুলো বড় বেশি প্রাণহীন, কি জানি এ হয়তো বিষণ্ণতার প্রানোছছাস মাত্র।এর চেয়ে অনেক বেশী রং পেন্সিল নিঃশেষ করেছি ভালবাসার জলরং আঁকতে গিয়ে।একটা সময় ভাবতে শুরু করেছিলাম, জীবনের বাতিকগ্রস্থ বিরহগাথা আর কখনই ফিরে আসবেনা।এভাবেই ভুবনসুখে বিভোর হয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি নিজেকেই খুজে পেতে চেয়েছিলাম নির্দ্বিধায়।কেনইবা করবোনা?আমি রজনীগন্ধা কিংবা শিউলী ফুলের সুগন্ধে ভালবাসার বিবর্তন চেয়েছিলাম, কিন্তু সবাই এখন অন্যরকম ভালবাসায় অভ্যস্থ,সেকেলে প্রপোজাল মুহূর্তেই অগ্রাহ্য করে আধুনিকারা।তাই নতুন করে ভাবনাগুলো আর জমাটবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পায়নি কখনই।শেষ রাতের বৃষ্টি,দুপুরের নির্জনতা,কিংবা শীতের সকালের শিশির এখন আর কারো সময়কে থমকে দেয়না।এখন সবাই কৃত্রিম সুগন্ধি,আর চাইনিজ এর ফসফেট মেশানো প্রেম নিয়ে ব্যাতিব্যাস্ত। বৈপরিত্যের এই জনারণ্যে এখনও আমি রজনীগন্ধা ও শিউলি ফুলের সুগন্ধীর মৌলিকতায় স্থির।কারও ফিরে আসা বা না আসা সময়ের সাথে সমস্রোতে যুগলবন্দি।এতো এতো সস্তা আবেগের ভীড়ে কোথাও না কোথাও ভালবাসা, সুখ, আবেগ, বিরহ, অপেক্ষা ও অনুভবে ঋদ্ধ কেউ একজন ফিরে তাকাবেই,হয়তো তার মনটাও তিক্ত অনুভুতি, ভোতা আবেগ আর না পাওয়ার কষ্টে জমাটবদ্ধ।আমিও সেদিনের অপেক্ষায়, যেদিন কষ্টের বরফ শীতল হবে আর তুমি ভালবাসায় অভ্যস্থ হবে পুনর্বার।কারন কোনও এক শেষ বিকেলে আমি দেখেছিলাম তোমার ঠোঁটের হাসির সমান্তরালে চোখের হাসি।আর যাদের চোখ আর ঠোঁট একসাথে হাসে তারা ভালবাসায় অদম্য,প্রান্তহীন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



