
কবিতা কে নিয়ে যখন ছুটি আকাশ পানে
বিছানায় শুয়ে আমি —আমি একটি পরিত্যক্ত লাশ,
ছারপোকা গুলো একেকটা বিষাক্ত শাপ —আমাকে রেখেছে ঘিরে,
পকেটের ফুটো দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে স্বপ্ন
ভালই করেছে না হয় যুদ্ধ করে যেতে হত অনন্তকাল।
*
অরুন্দিতার লাল চোখ দুটো ভালোবাসা —আলো নিভে যায়
ঈশ মানুষ গুলোর যদি প্রেমিকা হতো তোমার মত!
তাহলে যুদ্ধ থেমে যেত অনেক আগে (মৃত মানুষ যুদ্ধ করে কিভাবে?)
পৃথিবীর দুঃখিত মানুষ গুলো যদি ঢুকে পড়ে কবির নিজস্ব ঘরে,
কবির দেয়ালে থাকে ঈশ্বর প্রদত্ত শব্দ -দেখা মেলে?
রাইফেলের চিৎকার? —দেখা গেল হত্যা করা হয়েছে বাবা।
বোমা/ গ্রেনেড? —দেখা গেল হত্যা করা হলো পরিবার।
পারমাণবিক? —দেখা গেল হত্যা করা হলো একটি দেশ।
জাতিসংঘ? —পাওয়া গেল মানবতা ধ্বংসে সবোচ্চ হাতিয়ার।
ফেমিনিজম? —যেহেতু আন্দোলন করতে হয়- আমিও যাই।
পানশালা? —দেখা গেল হত্যা করে সাময়িক দুঃখ।
ব্রোথেল? —দেখা গেল হত্যা করে শারীরিক কামনা।
(একটি কাঙ্ক্ষিত সঙ্গম। যদিও সেখানে প্রেম নেই)
তুমি? —হত্যা করা হলো পৃথিবীর সবগুলো আমিকে।
*
যদিও সমান ভাবে ১৮ বছরের অবহেলা, -বন্ধু এবং প্রেমিকার প্রতি
তোমার কাছে এসেছিলাম একজন আগন্তুক হিসেবে
কিন্তু আমার কোন দেশ বা ভাষা ছিল না (আমাদের কথা থেমে যাবে?)
তাও কামনা করতেই পারি আমাদের বাগানে জন্ম হবে
প্রেমের সদ্য ফোটা ফুল —যদিও সে ফুলের আপাতত নাম রাখা হয়নি,
হয়তো আমাদের চেনা হবে সাগরের ছন্দ, —বিষাদে কেটে যাবে ৩ টি যুগ।
মানচিত্র কে কাটা ছিরা করে —আমাদের স্থান হবে ভিন্ন
কিন্তু! যেহেতু আমি নিজেই আমার কবিতার ঈশ্বর,
লিখে যেতে হবে তোমাকে —তোমার ভেতরের নায়াগ্রা ফল।
যদিও এখন পৃথিবীতে আছে কিছু নারী
যারা পুরুষের মৈথুন কামনা করে নিজেকে উন্মুক্ত করে রাখে,
নিজে হয়েযায় উত্তপ্ত অগ্নিগিরি তাকে দুর থেকে দেখিতে ভালো লাগে
কিন্তু কাছে যাওয়া কারোই কাম্য থাকেনা।
ধন্যবাদ তাদের।
*
অমূলক অভিব্যক্তি || তাসফিক হোসাইন রেইযা ||
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


