অনন্ত কালের পথে হেটে চলেছি আমি এক গুচ্ছ স্বপ্ন বেচবো বলে।
তিল তিল করে গড়ে তুলেছি নিজেকে যোগ্যতার আসনে
অধিষ্ঠিত করবার প্রয়াসে।শুধুই এক গুচ্ছ স্বপ্ন বেচবার আশায়।
সেই জন্মের পর থেকে পৃথিবীর পথে পথে একেকটা ঘটনার
জন্মদিয়ে সময়ের সাথে নিজেকে শুধুই স্রোতের মাঝে টিকে
রাখবার চেষ্টায়, সমাজের অমোঘ নিয়ম গুলোই মেনে চলেছি।
এখনো! সেই স্রোতের বাহিরের কেউ নই আমি।
আর সবার মত স্বপ্ন দেখি , আর স্বপ্ন সাজিয়ে
ফেরি করবার আশায় নিজেকে বাচিয়ে রাখবার
চেষ্টায় মেতে থাকি।কীভাবে একটু ভালো করা যায়,
যেন ভালো রাখা যায় আর সবাইকে।
নিজেকে নিয়ে ভাববার প্রয়াস কখনো পাইনি।
এতটুকু সময় ও নিজেকে চিনবার পেছনে
ব্যয় করবার মত ধারণাই আমার ছিলো না।
শুধু স্বপ্ন দেখে গেছি সমাজের শেখানো স্রোতের মত।
তাই!কোন এক গভীর রাতে যখন আকাশের চাঁদ
হেলে পড়ে নারিকেল গাছের ঠিক শীর্ষ পাতার মাথায়,
আকাশ ভরা তারা জ্বল-জ্বল করে তাকিয়ে থাকে
পৃথিবীর বুকে।তখন ঝুল বারান্দায় বসে আমি ভাবতে
থাকি,এক রাস বিষন্নতা আমায় গ্রাস করে।সব আছে
তবুও অতীত আর একাকীত্ব আমাকে জর্জরিত করে।
ভাবতে থাকি স্রোতের বিপরীতে কোনদিন আমি যেতে
পারিনি।আর তাই জীবনের শেষ সময়ে এসে নিজেকে নিয়ে
ভাবতে গিয়ে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, আমি তো নিজেকেই
চিনতে পারছিনা!আমার ভেতরের অস্তিত্ব! আমার ভেতরের মানুষ!
আজ নাড়া দিয়ে ওঠে, ভেতরের চাওয়াটা সমাজের মত
ছিলোনা!কিন্তু সমাজ কে জাগাবার জন্য তার চাহিদা ছিলো।
তবুও সমাজ কে বাদ দিয়ে চলবার সাহস ও
কোনদিন করে উঠবার মত ভাবনা মাথায় আসেনি।
কেউ হয়তো করবে সেই প্রতীক্ষায় থেকেছি।
আর সব সাধারণের চেয়ে ভাবনায় ভিন্নতা হলেও,নিজেকে
সমাজের নিয়মের বাহিরের মানুষ ভাবতে পারিনি।
তাই তো সমাজের নিয়মের বেড়াজালে বন্দী হয়ে আমি এক
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



