মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ দেয়ার পদ্ধতিটা সুচনালগ্ন থেকে ভুল হয়েছে - উচিত ছিলো - স্বিাধিনতা বিরোধি রাজাকারের সঠিক তালিকা প্রনয়ন করে জনসমক্ষে প্রকাশ করা ও স্বাধিনতা বিরোধি ও যুদ্ধাপরাধি - স্বাধিনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের সঠিক সংখ্যা নিরুপণ করা -- তাদের দ্বিতিয় শ্রেনির নাগরিক ঘোষণা করা - মুক্তিযুদ্ধে দেশের আপামর মানুষ কোনো না কোনো ভাবে অংশ গ্রহণ করেছে - শুধু বিরোধিতা করেছে হাতে গোনা গুটি কতক - মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিরুপণ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিলো না - এখনও নয় - এখনও সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হোচ্ছে না সেই একই কারণে - ১৯৭১ এ ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্থান সরকারের হানাদার বাহিনির আজ্ঞা বাহক ছিলো -
তারাই ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশের নিতি নির্ধারক হয়েছে -
ফলে যা হবার তা ই হয়েছে -
৬২ হাজার মুক্তিযোদ্ধা (সনদ প্রাপ্ত) প্রশ্নবিদ্ধ -
তার মধ্যে খেতাব প্রাপ্তরাও আছে
(সূত্র : প্রথম আলো ০৮ াক্টোবর, ২০১১ খৃ) -
তেমনি ভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করেও কিংবা আবেদন না করেও মুক্তিযোদ্ধা সনদ পেয়েছে - (সূত্র : প্রথম আলো - ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬)
শত সহস্র লক্ষ কোটি ‘সুফল ও গুনাবলি’ আছে স্বাধিনতা ও মুক্তিযুদ্ধের - কিন্তু একটি মাত্র ‘কুফল’ -
দেশের উচ্চাসনে (নিতি নির্ধারণে) অযোগ্যরা - (রাজনিতিক ও আমলা) -
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




