স্বাধিনতার ও মুক্তিযদ্ধের শত সহস্র লক্ষ কোটি “সুফল” -
একটি মাত্র “কুফল” - তা হোচ্ছে -
অযোগ্যরা সব উচ্চাসনে - (রাজনিতিকরা ও আমলারা) -
জনৈক সাব রেজিস্টার ১৯৭১ এ যার বয়স ছিলো ( এস এস সি সার্টিফিকেট) সাড়ে চার বছর - সেও চাকুরির বয়স দুই বছর বাড়িয়েছে - হাইকোর্টের মাধ্যমে - যার আরো দশ বছর চাকুরি আছে এমনিতেই -
্আমার জানা একাধিক মুক্তিযোদ্ধা ভারতের প্রশিক্ষণের সনদ আছে -
অস্ত্র জমার সনদ আছে -
এম এ জি ওসমানির সনদ আছে -
১৯৯৬ - ২০০১ সরকার প্রধান শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত সনদ আছে -
অথচ এবার তালিকাভূক্ত হতে পারেন নি -
তাদের ছেলে মেয়েরা ভর্তির সুবিধা পান নি - চাকুরির সুবিধা পান নি -
ভূয়া সনদধারিদের দৌরাত্যে চলছে লুটপাট - প্রথম থেকে আজ অবধি (১৬-১২-১৯৭১ থেকে ২০১৬) -
আপনি কেমন মুক্তিযোদ্ধা ?
আপনি কি সনদের আশায় ?
আর সনদের সুবিধার লোভে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ?
তবে কেন ভূয়াদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াচ্ছেন না ?
কোনো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কি লুটপাট করে শিল্পপতি হয়েছে ?
কোনো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কি লুটপাট করে এম পি মন্ত্রি হয়েছে ?
মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রু, যুদ্ধাপরাধি, স্বাধিনতা বিরোধিরা বাদে
দেশের আপামর জনগণ যে যেভাবে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নিয়ে গেছে -
স্বাধিনতার পক্ষের সমর্থক দেশের সকল মানুষ সেই অর্থে মুক্তিযোদ্ধা -
উচিত ছিলো “হতদরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের” আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেয়া -
কিন্তু হোয়েছে ঠিক তার উল্টো - ভূয়ারা নিয়ে গেছে সকল সুবিধা -
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের ছেলে মেয়েরা ভিক্ষে করছে - রিকসা চালাচ্ছে - জুতা সেলাই করে জিবন চালাচ্ছে -
বস্তিতে মানবেতর জিবন যাপন করছে -
হাসপাতালের বারান্দায় অনাদরে অবহেলায় ধুকে ধুকে মরছে -
এমন সব খবর প্রায়ই পত্রিকায় দেশবাসি দেখেন -
যেহেতু ১৬ - ১২-১৯৭১ পর্যন্ত যে বা যারা ছিলো পাকিস্থান সরকারের আজ্ঞা বাহক -
তারাই ১৭-১২-১৯৭১ এ হয়ে গেছে বাংলাদেশের নিতিনির্ধারক -
ফলে বরিশাল সদরের মুক্তিযোদ্ধা তালিকার এক নাম্বার নামটি রাজাকার কমান্ডারের -
এমন ঘটনা আছে সারা দেশে -
যে কারণে খেতাব প্রাপ্তরাও আজ বিতর্কিত -
খেতাবতো দিয়েছে সেই সবেরা যারা ১৬ ১২-১৯৭১ পর্যন্ত ছিলো পাকিস্থান সরকারের আজ্ঞা বাহক -
তারাই ১৭-১২-১৯৭১ এ হয়ে গেছে বাংলাদেশের নিতিনির্ধারক -
যে কারণে আমি প্রথম থেকে বলছি “জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান” সনদটি সকল মুক্তিযোদ্ধাকে দেয়া সমিচিন ছিলো -
চাকুরির সুবিধা বা বয়স বাড়ানোর সুবিধা -
ছেলে মেয়েদের ভর্তির বা চাকুরির সুবিধা দেয়া উচিত ছিলো “হতদরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের” -
আর কতোবার বলতে হবে -
স্বাধিনতার ও মুক্তিযদ্ধের শত সহস্র লক্ষ কোটি “সুফল” - +
একটি মাত্র “কুফল” - তা হোচ্ছে -
অযোগ্যরা সব উচ্চাসনে - (রাজনিতিকরা ও আমলারা) -
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




