ব্রেকিং নিউজ শর্ট করে দেবার নিয়ম, তবে এই খবর প্রকাশের ড্রাইভিং সিটে যখন আমি তখন সেই আশাটা না করাই ভালো! তাই বলে ভাববেন না যে একটা উড়াধূড়া খবর নিয়ে আসছি। উঁহু, মোটেও না। গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া ওরফে শোমচৌ'দা আসলেই এখন জার্মানীতে।
কালকে চোখ দেখাইয়া সবে বন শহর থেকে কম্মস্থলে ফিরেছি। হাতে সময় কম, পুরো ডিটেইলস পাঠাতে হবে, সেখান থেকে দু'দিনের মধ্যে চশমা বানিয়ে সাথে নিয়ে আসা লাগবে। আর একটা দিন দেরী হলেই কমসে কম 250 টা ইউরো গুনতে হবে চশমার পিছনে। ডিয়ার চঞ্চল'দার নাম্বারের জন্য দিলাম মাসকাওয়াথ ভাইকে ফোন। আমি অলরেডী উদভ্রান্ত, মাথা ঠিক মতো কাজ করছে না। মাসকাওয়াথ ভাই বললেন, "নাও তোমার সোহেল ভাইয়ের সাথে কথা বলো..."। 'কোন সোহেল ভাই' বলে চিল্লাতেই শুনি ঐ প্রান্তে, আগার ডাক নাম ধরে ডেকে বলে তুমি কোথায়?
আমি থতমতো খেয়ে বললাম, জি্ব আমি কাজে। আ-প-নি, কেএএএ? খিলখিল হাসি ছুটলো তখনি...। কেমন করে যেন বুঝে গেলাম। এযে আমাদের শোমচৌ'দা, গাব্রিয়েল মগাদিশু চৌরাসিয়া। কথা হলো খানিকক্ষণ। আসতে পারবো কিনা জিজ্ঞেস করলেন, কি যে খারাপ লাগছিলো! আর আঢাটা ঘন্টা আগে বল্লেও হতো, আমিতো বনে-ই ছিলাম। দেখাটা হয়ে যেতো। আবার ঠিক আধা ঘন্টার মধ্যেই ফিরতি ট্রেন ধরবেন, এখনি বের হতে না পারলে দেখা করা সম্ভব না।
যখন একটু সুবিধা করে মাসকাওয়াথ ভাইকে আবার ফোন করলাম, জানালেন- এই মাত্র ট্রেনে তুলে দিয়ে এলেন তাঁদের। খারাপ লাগলো খারাপ, কী করে বুঝাই?
বদ্দা আজ সকালে ফোন দিয়ে জানালেন ঘটনার কথা, বললাম। আশ্বাস দিলেন, 'চলে আসো মিয়া'। আমি কইলাম দেখি...।
আমার ঘরের কোনায় আইসা শোমচৌ'দা গেলোগা আর আমি এখ সেই দূরদেশে যাই তাঁর সাথে দেখা করতে! দেখি পরিস্থিতি কতোটা সায় দেয়...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



