প্রবাসী খেটে খাওয়া বাঙালীদের নিয়ে লেখা হয় খুব কম। তারা থেকে যায় অনেকেরই অগোচরে। তাদের যাপিত জীবনের আনন্দগাঁথা, বিরহকথা সবই থেকে যায় অব্যক্ত। জীবনের সাথে যুদ্ধ করে যাওয়া এই মানুষেরা ধারণ করে বাংলাদেশকে তাদের সামর্থ্যের মধ্য থেকে। লালন করে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে নিজের ভেতরে। সুদূর প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের এক কোণে- সব জায়গাতেই ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশ বুক থেকে উঠে আসা সাহসী, সংগ্রামী মানুষগুলো। আমাদেরই চোখের সামনে, তারা জীবন যুদ্ধে লড়ে যায় অনবরত।
নিজেকে হোয়াইট কলারের পূজারী ভেবে লড়াকু এই সেনানীদের পাশ কাটিয়ে চলে যায় অনেকে। বিদেশের মাটিতে বসেও ট্রিট করে দেশে কাজের মানুষকে যেভাবে ট্রিট করে। একই ভাবে বিশেষ কোন বাঙালীর জয়গাঁথা রচিত হলেও সেই একই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অনেকেই হয় বৈষম্যের শিকার।
বৈষম্য, এটা কেবল সাদাদের বিরুদ্ধে তোলা কালোদের প্রতিই নয়। নিজের দেশের মানুষের প্রতিও হয়। যার প্রমান মেলে দেশ থেকে কোন এলিট এলে সেখানে প্রবাসী কোন 'নন-এলিটের' উপস্থিতিতে। অথচ এই ননএলিট প্রবাসীরাই মাথায় ঘাম পায়ে ফেলে দিনমান খেটে উপার্জনের সিংহভাগ পাঠিয়ে দেয় দেশে। তারা নিজেরাও জানে না এই পাঠানো টাকায় তারা কী করে নিজের দেশের চাকা সচল রেখে চলেছে।
দেশে, গ্রামের বাড়িতে বুড়ো বাবা-মা, ছোট ভাই বোন কিংবা আদরের বউয়ের জন্য পাঠানো অর্থ কেবল একটা পরিবারের গণ্ডি ছাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে যায়। এই খবরটা তারা নিজেরা না জানুক, অনেকের মতো আমরা তো জানি। আসুন আমাদের জানা গল্পগুলো শেয়ার করি একে অপরের সাথে, তুলে ধরি আমাদের বীরত্বগাথা!
আমাদের লড়িয়ে সৈনিকদের ব্যাপারে আপনার নিজের কথা এবং ভাবনাগুলো পাঠিয়ে দিন হাজারদুয়ারীর ঠিকানায়।
হোয়াইট কলারওয়ালা এলিটদের দলভুক্ত তো আমরা হতে চাই না, তাদের অব্যক্ত কথাগুলো আমরা বলবো না কেন!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



