
বাড়ির প্রতি নাড়ির টান।
কারওবা থাকে অভিমান।
আনতে বললে বাজার সদাই;
সদাই করে আস্ফালন।
যদিও জানে এমন দিনে
উনুনে চড়ে নব ছালন।
বাবার উপর চাপিয়ে বোঝা,
ঈদ আনন্দ শপিং এ খোঁজা।
দেখেনা চেয়ে বাবার কাধে,
এই যে বোঝা পাহাড় সাধে।
সে যে কষ্ট চেপে আঁধার রাতে,
ঈদ জামা দেয় হাতে হাতে।
মায়ের কাছে বায়না ধরে আয়নাটাও কিনতে চাওয়া,
নেবার বেলায় সবার যেন সবার চেয়ে বেশি পাওয়া।
ঈদগাতে টুকরিখানায় টুকরো পণ্য নন্দ সাজে !
ধন্দ লাগে দেখি যখন পণ্য এসব বেজায় বাজে।
শহুরে বাবা হারিয়ে যান গাও গেরামের পথে,
ভাবেন তাঁর সন্তান কেন চড়লো উল্টো রথে।
শৈশব ঈদ কাটতো হেসে, চষে বেড়াতেন মাঠে।
সোনারা তাঁর বিড়াল যেন ঘরের কোনের খাটে।
এসব হলেও থামেনা তো উৎসব প্রথা-নিয়ম,
এটাই যে ঈদের রীতি শেষ হলে পর সিয়ম।
আমারতো লাগেনা ভালো, দিন তো দিনের মত।
কি মজাটা আছে যে কোথায়, না পাই ভাবি যত !
শেষটায় শুধু বুঝতে পারি,
বাবার টানে চোখটা ভারি।
বাড়ির প্রতি নাড়ির টান,
থাক না কিছু অভিমান।
ছবিঃ- গুগোল
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



