
প্যাঁচা কাব্য
একটা ছিল হুতুম প্যাঁচা,
নাক ছিল তার ভারী বোঁচা।
কেউ কখনো খেলে খোঁচা,
পালিয়ে গিয়ে চোখটা বাঁচা।
বন্ধু ছিল হুতুমটা,
আরেক প্যাঁচা ভুতুমটা।
এক হলে দুই প্যাঁচা,
দিনটা ভরে চ্যাঁচ্যা।
খোকা আর ছোট চাচা,
বুনেছিল শিমের মাচা।
সেথায় এক কুপোখ প্যাঁচা,
ইঁদুর পেলেই খেত কাঁচা।
বাড়ির পাশে বাঁশ কুরুলে,
বসতো কাছে এক খুঁড়ুলে।
বলতো খোকা, ওরে খুড়ুল প্যাঁচা,
কেমন করে চোখ দুটো তোর নাচা ?!
শীতসকালে খেঁজুর ডগায় উঠতো এক গাছা,
গামছাটারে মাথায় বেঁধে লুঙ্গি মেরে কাছা।
সেবার তাকে ঠোকর দিলো নিমপোখ ওই প্যাঁচা,
ভীষণ রেগে গাছি ওকে দিল এক ছেঁচা।
স্বপ্ন দেখে খোকা, বলছে তাকে প্যাঁচা,
“কি নিবি তুই, কি চাই তোর বাছা”?
আমি হলাম লক্ষ্মীমন্ত ধন লাভের প্যাঁচা,
বল এবার যা চাই তোর মন খুলে তা চা।
খোকা বলে, সত্যি তুমি সত্যি বলছ সাচা ?
প্যাঁচা বলে, হ্যাঁ রে, শুধু তুই দূরে রাখিস খাঁচা।




সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




