somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজাইরা প্যাঁচাল

১০ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনার এলাকায় যদি কেউ খুন হন তাহলে ঘটনাটি কি ঘটে?যে ব্যাক্তি খুন হন তার ফ্যামেলি এবং যে খুন করে তার ফ্যামেলি একটি বিরাট অনিশ্চয়তার মধ্যে পরে।আমার আপনার খুব বেশি লাভ ক্ষতি হয় না।কখন হয় যখন নিহত ব্যাক্তি বা খুনি আমার আপনার বন্ধু হয়।বন্ধু নিহত হওয়ার শোক অথবা খুনের মামলা খাওয়ার ভয়।

গরীবের বউ সবার ভাবি! আমাদের দেশটা গরীব।আমাদের দেশের সরকারও গরীব।যদিওবা অবস্হা এখন কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে।সরকার ধনী হচ্ছে।এবং সেইসাথে অনেক জনগনও ধনী হচ্ছে।উন্নত দেশ গুলতে জনগন গরীব থাকে কিন্তু সরকার থাকে ধনী।

ধনী জনগন কারা??
এখানে ধনী জনগন কে আমি তিন ভাগে ভাগ করব।১.রাজনীতিবিদ
২.সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী
৩.ভ্যাট ট্যাক্স ফাকি দেওয়া ব্যাবসায়ী চোরাকারবারি


রাজনীতি পেশা হয়েছে বহু আগেই।সেটা আগেই বলেছি।দিন দিন রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের যেভাবে আঙ্গুল ফুলে তাল গাছ বেল গাছ হচ্ছে তাতে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের মনের উপর প্রভাব পরে।কিভাবে প্রভাব পরে সেটা পরে বলছি।তার

এখন আসি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর কাছে।আমার মনে হয় না এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার প্রয়োজন আছে।চোখ কান সামান্য খোলা রাখলেই সবগুলো পয়েন্ট বোঝা যায়।তবে কিছু ব্যাতিক্রম ছারা।


আসুন এবার সাধারন খেটে খাওয়া দিনমজুর,কৃষক,ছোট ব্যাবসায়ী,বেসরকারি চাকুরে,প্রবাসী বছরের প্রতিটা দিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে।শরীরের রক্ত পানি করে করে সৎ পথে টাকা ইনকাম করেও যখন তার অভাব দূর হয় না,অপর দিকে সেই তিন শ্রেনির মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ব্যাগ ভর্তি বাজার, প্রাসাদ, দামি দামি সামগ্রি আর আমি আপনাকে তুচ্ছ করে নিজেদের বাহাদুরি জাহির করে তখন সেই সব খেটে খাওয়া মানুষের ধরনী দ্বিধা হয় কথাটা নিজের কানেই ফিরে আসে।

অথচ সেই খেটে খাওয়া অভাবী মানুষটিও কিন্তু সচ্ছল হতে পারত।হয়ত তার কোন মেধাবী ছেলে ভাই পেট চলার মত একটা বেসরকারি চাকরী জুটিয়ে নিয়েছে শক্ত লবিং অথবা টাকার অভাবে।ধার আর জমি বিক্রির টাকায় যাওয়া প্রবাসী ভাইটির অর্ধেক জীবন শেষ হয় লোন শোধ করতে।কৃষক উৎপাদনের অর্ধেক দামও পায় না!

বাংলাদেশে ছাত্র ছাত্রীরা হতাশা নিয়ে পড়াশোনা করে।(কিছু বাদে)।কি হবে কি করব?চাকরি পাব কি না,ইত্যাদি।


দেশে যখন কোন অঘটন ঘটে সবচে বিপদে পরে এই খেটে খাওয়া শ্রেনীটিই।জঙ্গি হামলা,হরতাল,অবরোধ এই সব খেটে খাওয়া লোকেদের জীবন অচল করে দেয়।

আমরা সবাই সবসময় ভাবি ইস! নিয়োগ টা যদি ফেয়ার হতো হয়ত আমার জবটা হয়ে যেত।যদি ফেয়ার হওয়ার পরও না হত আমি একশত ভাগ শিওর কেউ মনে দুঃখ রাখত না!!!

ইস! সরাসরি কৃষকরা যদি সরকারী দামে সরকারি গুদামে চাল দিতে পারত,দেশের বহু কৃষকের ছেলে আইফোন ব্যাবহার করত বলে আমার বিশ্বাস!

নিয়োগ প্রক্রিয়া ফেয়ার হলে যোগ্য লোক চেয়ারে বসত।কাজের গতি অথবা ধরনই হত অন্যরকম।

হরতাল, অবরোধ,জঙ্গি এই শব্দ গুলো বাংলার অবিধান থেকে বিলুপ্ত হত।আজ আমি আপনি দেশের বিরুদ্ধে কাজ করে নিজের সংসার বাবা মা ভাই বোনেরই ক্ষতি করছি।সেই ধনীকশ্রেনীর কোন আসে যায় না।

ধন্যবাদ সবাইকে

e-mail & fb "[email protected]"
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৪৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×