
কিছুদিন আগে বসুন্ধরা শপিংমলের সিকিউরিটি সিস্টেম নিয়ে একটি ব্লগ লেখেছিলাম।ওখানকার দূর্বল সিকিউরিটি এর ব্যাপারে আপনাদের অবগত করেছিলাম।এই লেখার শুরুতে আমি আবারো বলে নিতে চাই,আমি কোন সিকিউরিটি এক্সপার্ট নই।তবে সেইফটি, সিকিউরিটি এবং ফায়ার ফাইটিং বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নেওয়া আছে।এগুলো মুটামুটি বুঝি।
গত লেখায় শ্রদ্ধেয় ব্লগার চাঁদগাজী ভাই মন্তব্য করে বলেছিলেন "বসুন্ধরা গ্রুপের সিকুউরিটি কর্মকর্তা -কর্মীদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনি দ্বারা ট্রেনিং দেওয়া উচিৎ"
কিন্তু গত ৩০-৮-২০১৬ তারিখে ঢাকা থেকে আমার উত্তর বঙ্গ জেলা শহড়ে নাইটকোচে আসার সময় পুলিশের একটি সিকিউরিটি বিষয়ক গাফিলতি আমার নজরে আসে।

আমি গত ৩০-৮-২০১৬ তারিখে ঢাকা টেকনিক্যাল মোড় থেকে রাত্রি সাড়ে দশটার উত্তরবঙ্গ গামী একটি বাসের টিকেট ক্রয় করি।বাসটি সময়মত ছেড়ে প্রায় সাড়ে তিনটায় সিরাজগন্ঞ এর একটি হোটেলে যাত্রা বিরতি দেয়।আমার ঙ্গাত স্হান যাত্রাবিরতী হোটেল থেকে দেড় ঘন্টার দূরত্ব পথে একটি পুলিশ চেক পয়েন্ট পরে।উক্ত চেকপয়েন্টে পুলিশ একটি ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা দ্বারা সব যাত্রির ইমেজ সংগ্রহ করে থাকেন।উক্ত দিন যথারীতি চেকপয়েন্টে পৌঁছানোর পড় কিছু যাত্রী ব্লাঙ্কেট মুড়িয়ে ঘুমিয়ে ছিল।ডিউটিরত কর্মকর্তা /কনস্টেবল সেই সব ঘুমিয়ে থাকা যাত্রীকে না জাগিয়েই ভিডিও করতে থাকেন!
আমি একবার ছবি তুলতে চাইলে,অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্হিতি এড়াতে বিরত থাকি!এর আগে কয়েকবার দেখেছি ড্রাইভার সাহেব চেকপয়েন্টে গাড়ি যাস্ট স্লো করে,মৌখিক অনুমতি নিয়ে কোন রকমের ভিডিও স্টিল পিকচার ছাড়াই চলে গেছেন।
আমাদের সবার উচিৎ মানব সৃষ্ট দূর্যোগ এড়াতে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করা।
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




