somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এইসব জারজ সন্তান দের কি কোনদিন বিচার হবে ন........:(

২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

void(1);

হাসপাতালে স্বামী কমল দাসের হাত ধরে বসে আছেন স্ত্রী মীনা রানী। সঙ্গে শিশুসন্তান। কমল দাস এই হাত দিয়ে গত ২৬ বছর খাদ্য অফিসের আবর্জনা পরিষ্কার করেছেন। কর্তাব্যক্তিদের মনের আবর্জনা তো তাতে পরিষ্কার হয়নি। আত্মহত্যা করে যেন সেই আবর্জনা ঝাড়লেন তিনি
ছবি: প্রথম আলো

এটা একটা কপি পেষ্ট পোষ্ট....

জীবন দিয়ে প্রতিবাদ!

কমল দাস পটুয়াখালী জেলা খাদ্য দপ্তরের একজন ঝাড়ুদার। ২৬ বছর ধরে তিনি অস্থায়ী ভিত্তিতে (মাস্টাররোল) কাজ করছেন। অনেক দেনদরবার করেছেন, কিন্তু চাকরি স্থায়ী হয়নি। সম্প্রতি বাউফল খাদ্যগুদামে ঝাড়ুদারের পদ খালি হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও হয়েছে। সেখানে স্থায়ী নিয়োগের আশ্বাসও পেয়েছেন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে। তার জন্য গাছ-গরু বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকাও দিয়েছেন। কিন্তু ওই পদে নিয়োগ পেয়েছেন অন্য একজন। শেষমেশ কমল দাস গতকাল বৃহস্পতিবার নিজের অফিসে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, প্রতিদিনের মতো গতকাল সকালে অফিসে এসে পানি টেনে আনছিলেন। বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কক্ষের সামনে গিয়ে ঢলে পড়লেন তিনি। অফিসের লোকজন তাঁকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান কমল (৫২)।
হাসপাতালের চিকিৎসক (জুনিয়র কনসালট্যান্ট-মেডিসিন) আতিকুর রহমান জানান, বিষপানের ফলে কমল দাসের মৃত্যু হয়েছে।
সহকর্মীরা জানান, তাঁর জায়গায় অন্যজনের চাকরি হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন কমল। কীভাবে সংসার চলবে, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন। চাকরিটা স্থায়ী করার জন্য এক সপ্তাহ ধরে কমল প্রকাশ্যে অফিসের কর্মকর্তাসহ অন্যদের অনুরোধ জানিয়ে আসছেন। বলতেন, এটা না হলে আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। কিন্তু একে সবাই কথার কথা হিসেবেই নিয়েছেন।
কমলের স্ত্রী মীনা রানী হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, ‘তাঁর কাছ থেকে চাকরি স্থায়ী হওয়ার আশ্বাস পেয়ে শেষ সম্বল বিক্রি ও ধারদেনা করে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন। কিন্তু অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়ায় কমল ভেঙে পড়েন। কিন্তু বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করবেন, এমনটা তো ভাবিনি।’
কমলের জ্যাঠাতো ভাই মদন দাস জানান, বাড়ির পুকুর লিজ দেওয়ার পর অংশীদার হিসেবে কমল পাঁচ হাজার টাকা পান। এ ছাড়া তাঁর দুটি গরু ও তাঁর অংশের গাছ বিক্রি করে চাকরি স্থায়ী করার জন্য টাকা জোগাড় করেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহবুবুর রহমান সিকদার কমলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম কমলকে বাউফলের খাদ্য গুদামে চাকরিটা দিয়ে স্থায়ী করতে। এ লক্ষ্যে নির্বাচনী পরীক্ষায় তাঁকে সর্বোচ্চ নম্বর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থায়ী চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। এ ক্ষমতা মহাপরিচালকের।’ তিনি বলেন, ‘এখন আমরা চেষ্টা করব কমলের জায়গায় তাঁর স্ত্রীকে মাস্টাররোলের চাকরিটা দেওয়ার।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরেশ চন্দ্র কর্মকার জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ হাসপাতালে গেছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্বামীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না মীনা রানী। তিনি জানান, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি বাদ দিয়ে প্রতিদিন কমলের বেতন ছিল ৬৫ টাকা। এ দিয়ে খেয়ে-না খেয়ে তাঁদের সংসার চলত। এ অবস্থায় কয়েক বছর ধরে কমল তাঁর চাকরিটা স্থায়ীকরণের জন্য অফিসে ধরনা দিতে থাকেন। তাঁদের দুটি শিশুসন্তান অনুপ (৮) ও প্রান্তকে (৪) নিয়ে দিশেহারা মীনার আর্তনাদ, ‘সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় যাব, কার কাছে যাব।’

এইসব জারজ সন্তান দের কি কোনদিন বিচার হবে ন........:(






সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:০৪
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×