জাফর ইকবাল স্যার এর কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি কারণ স্যার এর গল্পের মধ্যে আমি নিজেকে ঢুকিয়ে নিলাম. আমাদের সকুল জীবন----- আমরা ছিলাম কয়েকজন প্রাণের বন্ধু আমি সাবিবর,ইবু(স্যার),ফজলুআর আশরাফ.আমাদের কাসে নতুন ছাএ আসল লাড্ডু মাহমুদ.কিন্তু স্যার তার নাম বদলিয়ে রাখলেন রাশেদ হাসান.রাশেদ ছিল অন্য সবার থেকে কিছুটা আলাদা.সে দেশ নিয়ে চিন্তা করে,রাজনীতি বিদ দের মত কথা বলে.কিন্তু সমস্যা হয়ে গেল কাদের যখন রাশেদ কে পিটাল.তারপর রাশেদের কচু ভাই কাদেরের সব চুল ফেলে বেল মাথা করে দিল.এই ভাবেই আমাদের দিন কাল চলছিল.
স্বাধীনতা যুদ্ধ----
তারপর শুরু হলো স্বাধীনতা যুদ্ধ.আমাদের এই সব নিয়ে মাথা ব্যাথা ছিল না কিন্তু রাশেদ খুব উঠে পরে লাগল.সে মশাল মিছিলে যাই আরো কত কি করে কিন্তু আমাদের সব কিছু বলে না আমি রাশেদ আর ইবু ছিলাম প্রাণের বন্ধু.রাশেদ একদিন আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে নিয়ে গেল.তারপর আমরা ও যুদ্ধে জড়িয়ে পরলাম.ইস্কুলে যে যুদ্ধ হল সেই যুদ্ধে ও আমরা ছিলাম,তারপর শফিক ভাই কে পাকিস্তানি হানাদের কাছ থেকে কোমান্ড কায়দায় উদ্ধার করলাম.
এক সময় রাশেদ কে একা রেখে আমরা ও গ্রমে চলে গেলাম .বাংলাদেশ স্বাধীন হলো.আমরা আবার শহরে ফিরে আসলাম.কিন্তু রাশেদ কে কোথাও দেখলাম না.পরে ফজলু থেকে শুনলাম রাশেদ কে পাকিস্তানিরা নদীর পারে দার করিয়ে গুলি করে মারে.রাশেদ এখনো মাঝে মাঝে আমার কাছে আসে.তার নাকি খুব কষ্ট হয়েছিল গুলি খাওয়ার সময়.রাশেদ এখনো আমাকে বলে তুমি কি আমার প্রাণের বন্ধু হবে.
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




