somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি, লেখক বা পাঠক!

১৯ শে জুন, ২০১৩ সকাল ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্লগে লেখালেখিটা এত তাড়াতাড়ি শুরু করতে চাইনি!! কারন আমার মতে আমার লিখা গুলি এখনো পরিপুর্নতা পাইনি!! আমি ওটা আরো অনেকদিন চর্চা করার পরে শুরু করতে চেয়েছিলাম!! ব্লগ লেখাটা সহজ ব্যাপার না!! প্রতিটা লেখার আগে একটা নির্দিস্ট টপিক পছন্দ করতে হয়!! ফেসবুকের মত ধর তক্তা মার পেরেক এই চিন্তাধারাটা ব্লগে হটকারি বলেই আমার মনে হয়!!
এক্সপেরিয়া নামক এক ব্লগারের কাছ থেকে শুনেছিলাম ব্লগটা আলোচনার জায়গা!! হুম আমিও তা মানি তবে আরো একটা ব্যাপারে আমার ব্লগে আসার আগ্রহটা বৃদ্ধি করেছে সেটা হচ্ছে লেখার মুল্যায়ন! আমার লেখা ভাল হচ্ছে কি মন্দ হচ্ছে সেটা বিচার করা আমার পক্ষে হয়তবা সম্ভব কিন্তু মতামতটা পাচ্ছিনা!! ফেসবুকে একটা লেখা লিখার পরে সহজেই পোস্ট করে ফিডব্যাকটা পাওয়া যাই ঠিক! কিন্তু সত্যিকারের মুল্যায়নটা পাইনা!! আমি এখানে লিখার পরে আমি জানবনা আমার কোন লেখাটা নির্বাচিত হবে!! শুধু জানি আমাকে ভাল লিখতে হবে!! কারন এখানে প্রতিযোগিতা বলে একটা শব্দ আছে!! নির্বাচিত হওয়ার প্রতিযোগিতা!! গল্প কিংবা কবিতা আমার লক্ষ্য না!! আমার লক্ষ্যটা হচ্ছে লিখার সাধনাটা চালিয়ে যাওয়া!! সেটা যদি সম্ভব হয় তবে ভাল লাগবে!!


লিখার ক্ষেত্রে আমি বিবেচনায় রাখিনা আমি ভাল লিখছিনা খারাপ লিখছি!! আমি শুধু ওইটুকু বিবেচনায় রাখি যাতে আমার মনের কথা গুলো ফুটে উঠুক আমার লেখায়!! তবে আমার একটাই অসুবিধা , আমি আ লিখতে চাই লিখার মধ্য তা ফুটিয়ে তুলতে পারিনা!! সেটা কাটিয়ে উঠার চেস্টা করছি!! লেখনিটা আমার নেশা না!! আমি সময়ের প্রয়োজনে লিখছি!! আবার হয়তবা সময়ের প্রয়োজনে ছেড়েও দিব!! এইটাই নিয়তি!! সবই সময়ের প্রয়োজনে!!!


আমি কিসে দক্ষ আমি নিজেও জানিনা!! যখন যেইটা ইচ্ছা হয় সেটা লিখি!! কবিতাও লিখি আবার ছোট গল্পও!! ছোট গল্প গুলো মাঝে মাঝে অত্যধিক ছোট হয়ে পরে!! আর কবিতা গুলো হয় ছড়ার মত ছন্দবদ্ধ!! ছন্দবদ্ধ ছাড়া আমি কেন যেন লিখতে পারিনা!!! লেখা টেনে লম্বা করার ব্যাপারটা শিখিনি!! প্রসংগ হারিয়ে ফেলি সহজেই!!! তাই আমার লিখা অনেকের বিরক্তির কারন হতে পারে!!


তবে পাঠক হিসেবে আমি সেরাদের কাতারে থাকব ইনশাল্লাহ!! যেকোন ধরনের লিখা পড়ি!! শুধু লিখা হলেই চলবে!! পড়তে প্রচন্ড ভালবাসি!! সেই পিচ্চিকাল থেকেই আমি পাঠক!!! থ্রিলার, ওয়েস্টার্ন, রোমান্টিক, গোয়েন্দা, কবিতা যা পাই গোগ্রাসে গিলি!!! সর্বভুক পাঠক বলতে যা বুঝাই!!

প্রিয় উপন্যাস হচ্ছে! "ওয়েদারিং হাইটস" এমিলি ব্রনটি এত সুন্দর ভাবে উপন্যাসটি উপস্থাপন করেছেন যা আমাকে প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে!! আর গল্পের মধ্য অনেক গুলোই আছে!! ওহ!! আরেকটা উপন্যাসের কথা না বললেই নয়! "অগ্নিরথ" লেখকের নামটি নিয়ে একটু ডাউট আছে!! সম্ভবত সমরেশ মজুমদার!!

ছোটবেলা থেকেই বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বই গুলোর দিকে লোভাতুর চোখে তাকিয়ে তাকতাম!! কিন্তু আম্মার চোখ রাঙ্গানীকে বই কে হারিয়ে দিয়ে লিখা পড়ার সাহসটা ক্লাস এইটে উঠার পরেই পাই!!
বাবা বরাবরই দিলখোলা!! কখনো বই পড়ার ব্যাপারে বাধা দেননি!! বরং উনার সংগ্রহে থাকা রোমেনা আফাজের "দস্যু বনহুর" ও "দস্যরানী" এর গল্প গুলি দেদারসে বিলিয়ে দিতেন!!

ভাইয়া ছিল সায়েন্স ফিকশনের পাগল!!!( এখন কাজের চাপে উনার পাঠক সত্তার করুন মৃত্যু ঘটেছে) সায়েন্স ম্যাগাজিন অহরহ আর আলেকজান্ডার বেলায়েফের লিখা( ননী ভৌমিকের অনুবাদ) "দরিয়ার দানো" পড়ে কল্পনায় রিউ ডি লা প্লাটার উপকুলে সাঁতরাতাম !!

মেজো আপু ছিলেন হুমায়ুন আহমেদের লিখার ভক্ত!! প্রথম পড়া "পিপলি বেগম" গল্পটা আমার মাথায় পিপড়াদের জন্য বিপুল শ্রদ্ধা এনে দেই!! আর "মেঘ বলেছে যাব যাব" উপন্যাস পরে কোন এক চিত্রলেখার কথা ভাবতাম আমার কিশোর মনে!!!

লিখতে লিখতে অনেক দূর এসে পরেছি!! এর বেশি লিখলে কেউ আর পরতে চাইবে না!! প্রসংগ থেকে মেইল তিনেক দূরে সরে এসেছি!! আজকের মতো বিদায় অন্যদিন আবার লিখব ইচ্ছা হলে!!
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×