ধন্য মোরা ধন্য
অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করি
মাতৃভুমির জন্য!
অনেক আগের পড়া কবিতা!! হয়তবা কয়েকটা লাইন ভুল হতে পারে! কবিতাটা মুল উদ্দেশ্য না!!মুল উদ্দেশ্য হলো দেশের জন্য প্রান দেওয়ার শপথ করা সেই সব অকুতোভয় বীরশ্রেস্ট্রদের জন্য! তাদের আবেগটা কবিতায় ফুটে উঠেছে! আমার একটা আলাদা ব্যক্তিগত মতামত আছে! আমি সাতজন বা আটজন বীরশ্রেষ্ট্রে বিশ্বাস করিনা! আমার কাছে প্রতিটা মুক্তিযোদ্ধায় বীরশ্রেষ্ট!! কারন তারা মানুষের কাছে সবচাইতে প্রিয় বস্তু আপন প্রানটা হাতে নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে নেমেছিলো!
আর সেই যুদ্ধটা ছিলো তাদের মাতৃভুমি তথা মায়ের জন্য যুদ্ধ!! সেই যুদ্ধে অংশগ্রহন করে তারা নিজেদের ধন্য মনে করেছিলো! তাদের কাছে না ছিলো জনপ্রিয় হবার মোহ না ছিলো ক্ষমতা হারানোর ভয়!!
সেইসময় আরেক প্রজাতির কিছু প্রানীর জন্ম হলো, তারা ছিলো শুয়োরেরও অধম!! তারা নিজেদের স্বার্থ সিদ্বির জন্য তখন অরাজকতা সৃষ্টি করেছিল, খুন ধর্ষন রাহাজানিতে মেতে উঠেছিলো সেইসব পশুরা!! নাম নিয়েছিল রাজাকার, আল বদর আল শামস! মুর্তীমান আতংক হয়ে উঠেছিল ওইসব একেকটা বাহিনী! আর তাদের কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলো সাক্ষাত যমদুত!
আজ যুদ্ভের এতো বছর পরেও আমরা মাথা তুলে দাড়াতে পারিনি! কেন?? জানেন কেউ?? আমরা কেউ জানিনা!!
আমার কাছে অনুমান করার মতো কিছু আছে!! আজকে যখন দেখি কোন বীরশ্রেষ্ট মুক্তিযোদ্বা। চরম পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের অন্ন যগাচ্ছে আর ঠিক একই সময়ে নরপশু রাজাকারেরা বিচারের নামে সারাজীবনের মতো আরামের বন্দোবস্ত করছে তখন আমার জানা হয়ে যায় কোন পাপে আমরা আজো পরাধীন এই স্বাধীন দেশে!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



