আজ দুইহাজার বার সালের শেষ দিন। আমার জীবনের ঘটনা বহুল এ বছরটি চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নতুন বছরে নবজন্মা জাতিস্মরের স্মৃতির মন্থন হবে এখান থেকেই- আর তার থেকেই মন্থিত হবে চলার পথের শিক্ষা, তাকে জীবনের পাথেয় করতে চাই। জীবন শুরুর এ সময়টাতে রমণীকে দেখেছি নিকট থেকে, হয়তোবা তাকে বুঝতে পারিনি কিন্তু তাঁর সমন্ধে জেনেছি অনেক কিছুই। জীবনের এ শিক্ষা সূত্রের মতো মনে হয়েছে আমার। নারী চিত্তের জটিলতার বন্ধন এখানেই মুক্ত হয়, এ আমার ধারণা নয়, এ আমার ব্যাথা জর্জরিত হৃদয়ের বিশ্বাস।
সব শুরুতে হয়েছিল আমার একটুখানি ভুল। যার সংশোধনে হয়েছে ‘লোভনীয় ভালোবাসাতে কাউকে যেন প্রশ্রয় না দেই’। যাকে তার অস্তিত্ব নিয়ে আমি দেখিনি তাকে কেন আমার কর্মের ভাগ আমি দিলাম। আর সে সেই কর্মে দিল ভালোবাসার আঙ্গুলির স্পর্শ – ভালোবাসার সেই মূর্তিমতী নারী আমাকে একটুখানি চিনে ফেলেছিল।
আমি আজ জেনেছি নারী মনের চাহিদা অসীম এবং অতুলনীয় যার তুলনাহিনতা পুরুষ জাতিকে চিরকাল মোহিত করে রেখেছে। আমি নিজেই একজন মোহিত পুরুষ কিন্তু আজ তার মোচন করতে চাই। আমি আজ জানি নারীর এই স্বভাব এ তাদের দোষ নয়, দোষ সেই প্রকৃতির যা তাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে প্রকৃতির প্রভাবেই নারীরা পুরুষদের জয় করতে চায়। আর তারা পারেও। কারণ পুরুষদের রমণীর রমণীয় শরীরের প্রতি অবর্ণনীয় আকর্ষণ। এও পুরুষদের প্রকৃতির দোষ; বিধাতার লীলাখেলা, তাঁর লীলা সঙ্গী বিশ্বের প্রতিটি জীব।
যা হোক সে আমাকে ভালবাসলে আর আমি তাকে ফেরাতে পারলাম না। মুগ্ধ হয়েছিলাম তাঁর বর্ণনাতীত ভালবাসায় কিন্তু সেই সঙ্গে বিরক্তিও জন্মেছিলো প্রচুর। তাঁর অবিরাম আহ্বান আমাকে ক্লান্ত করে ফেলেছিল। সে কি চাচ্ছিল আমার কাছে? ভালোবাসা? হয়তোবা তা কিংবা তা নয়। সে নিঃশেষে পান করতে চেয়েছিল আমার দেয়া প্রণয়ের সূরা। আমি অবাক হোয়ে গিয়েছিলাম এ তাঁর কোন প্রকৃতির ভালোবাসা। একদিন আমি আরও বেশী অবাক হলাম যেদিন সে আমার বুকের উপড়ে হাত রেখে ভালোবাসার কঠিন প্রতিজ্ঞাটা করলে। আজ সেই ভঙ্গুর প্রতিজ্ঞার দানাগুলো যেন ছুড়ে ছুড়ে পরে আমার হৃদয়ের উপর, তাকে খতবিক্ষত আর রক্তাক্ত করতে চায়। আমি চাই আমার হৃদয় ওদেরকে ফুল করে ফিরিয়ে দিক।
৩১/১২/২০১২ইং
নিবন্ধটি উল্লেখিত তারিখেই লেখা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
