-এই ওঠ আগুরা যাব
-এখন যেতে পারবো না
-পারবিনা মানে? আলুভতর্া বানিয়ে দেব ,চিলি,অনিয়ন দিয়ে ,সাথে জিনজার তোর জন্য লাগবে
-হানি প্লিস যা তো
-কি????
(এই বলে এক টান দিয়ে কম্বল উঠিয়ে ফেললো)
হানি প্লিস (রাগ করে)
-তাহলে তাড়াতাড়ি উঠ...
হানি যাবার পর দিয়া মনে মনে বলে,জীবনেতো তাড়াতাড়ি উঠেনা,আজকে উঠে ফুটাংগিরি শুরু করেছে...
হানি গেল মমোর রুমে,গিয়ে মুখ থেকে কম্বল সরিয়ে গালে দুটা চড় মেরে বসলো
-আপি কি শুরু করলা ?? (বিরক্ত গলায়)
-ঘুমা আমরা আগুরা যাচ্ছি ,শপিং করতে
-কৈ? (ঘুমের মধ্যে )
-আরে আগুরা, জীবনে কি নাম শুনিস নাই
(এই বলে আবার একটা মাইর দিয়ে বসলো,এটা হানির অভ্যাস । 19 থেকে 20 হলেই সে মমোকে ঠুসঠাস মার দেয়)
-আপু এভাবে মারছো কেন??
-কোথায় মারলাম এটা হচেছ আদর...
(এই বলে আরেকটা মাইর দিয়ে বসলো)
দিয়া আইলাইনার দিচেছ..এই দেখে হানি বলে উঠলো,
-কিরে তুই এতো সাজঁছিস কেন??
(এই বলে নিজে লিপস্টিক দিতে শুরু করলো)
-তাহলে নিজে লিপস্টিক দিচিছস কেন?
-আরে লিপস্টিক দিবো না,বস্তির মতো বের হবো নাকি ?আমি তো আর মাসকারা টাসকারা দিচিছ না
এই শুনে মমো বললো,
-আপি তুমি সবসময় এমন করো,অন্যেকে সাজতে দেখলে ঘ্যানের ঘ্যানের আবার নিজেই সাঁজ...
-তোরা কি চাস আমি ফেচুনি্ন হয়ে যাই...
এমন সময় পড়ার ডেঙ্রে সামনে একটা তেলাপোকা হাঁটছে,মমো তা দেখে উচ্চ স্বরে বলে উঠলো,
-কালকের ঐ ঊড়ন্ত তেলাপোকাটা না??(ভয়ে)
হানি বলে, তোরা যে কেন তেলাপোকা ভয় পাস??বুঝে পাই না। এটা ভয় পাবার কি?
দিয়া বলে, আমরা তো আর তোমার মতো হতে পারি না,তুই তো আবার তেলাপোকার মধ্যেও আর্ট খুঁজে পাস
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



