somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসপাতাল

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাসপাতাল
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

বড় ভাইয়ের সাথে ঝামেলা হয়েছে। তাই কোথায় একটু নীরবে থাকতে চাই আড়ালে। যাকে তাকে বলছি, কোনো ব্যবস্থা করতে পারছিলাম না। খোঁজা খুঁজি করতে করতে কয়েক দিন পার হয়ে গেলো। একদিন সকালে ফোন এলো। ঘুম থেকে উঠে ফোন ধরলাম তখনই বলছে- সাইফুল তুমি কি ফ্রি আছো আগারগাঁও আসতে পারবে এখনই? আমি বললাম পারবো। সে বললো তাহলে চলে এসো। গাড়ি ভাড়া কোথাও থেকে যোগাড় করে এসো। আসলেই দিয়ে দিবো। আমি তো অতি খুশি! সাথে সাথে চলে গেলাম। সেই দিনই মেট্রোরেল অনিচ্ছায় সুযোগ পেয়ে গেলাম আরো আনন্দিত মহা প্রফুল্ল!

পরিচিত খুব ভালো সম্মানিত বড় ভাই খুব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দীর্ঘ দুই মাস বিছানায় থেকে চলে গেলেন পৃথিবী থেকে। গন্তব্য “ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল”, আগারগাঁও। হাসপাতালে পৌঁছে ভাবির কথা মতো সিঁড়ির বেয়ে উঠতে লাগলাম। তিন তলায় উঠে দেখি নাজা ঝিমুচ্ছে খুব ক্লান্ত! তার সাথে কথা বলে উঠে পড়লাম ৯ তলায়। ভাবির সাথে কথা বলে আবার তিন তলায় এসে বসলাম। এই হাসপাতাল সম্পর্কে প্রথম জানলাম প্রথম দেখলাম। সেদিন থেকেই এক মাস হাসপাতালেই ছিলাম। কেউ মারা যাচ্ছে, কেউ সুস্থ হচ্ছে, কেউ ভর্তি হচ্ছে। বসার সিট দখল নিয়ে চুপিচুপি প্রতিযোগিতা হয়। প্রত্যেকে এগিয়ে আসে একে অন্যের সাথে কথা বলার জন্য। কেউ আবার ঘনিষ্ঠও হয়। কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু তাতে কী সবাই রোগীর সুস্থতার জন্য এসেছে আসছে। সবাই মানুষ রোগ প্রায় সবার আছে বা হয়।

রোজার মাস ছিলো। ঈদ হাসপালেই কেটেছে। আমিও রোগীর সেবা করতে পেরে তৃপ্ত। তারাও একজন সহায়ক পেয়ে তৃপ্ত। নিহাদ রোগীর ছেলে আমার সমবয়সী, শিক্ষক। তার সাথে মিশে অনেক কিছুেই জানতে পারলাম। শান্ত স্বল্পভাষী। সে আর আমি ভাবি ও নাজা এ চার জন ছিলাম সেবায় নিয়োজিত। এছাড়াও আরো নতুন লোক এসেছে সেবা করার জন্য। যখন আমি চলে আসি তারপর থেকে। সত্যি বলছি আমি এতো মানসিক প্রশান্তিতে ছিলাম যা আর কখনো ছিলাম না মনে হয় আলহাদুলিল্লাহ। আল্লাহ ভাইকে জান্নাতবাসী করুন।
উত্তরা, ঢাকা।
১৮.০৯.২০২৩
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:৫২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আচুক্কা প্রেশ্ন!

লিখেছেন মৌন পাঠক, ১৪ ই জুন, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৮

দেশে বিরোধী দল নাই, আর ও অনেক কিছু নাই।

আবার গুজব শুনি, হাসিনা - রেহানার উষ্ণ মধুর সম্পর্ক,
তা আচুক্কা প্রশ্ন জাগল, রেহানা ক্যান আলাদা দল গঠন করে না,
লাস্ট নির্বাচনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সাতকাহন

লিখেছেন বিষাদ সময়, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৮:০১

অনেকদিন হল জানা আপার খবর জানিনা, ব্লগে কোন আপডেটও নেই বা হয়তো চোখে পড়েনি। তাঁর স্বাস্খ্য নিয়ে ব্লগে নিয়মিত আপডেট থাকা উচিত ছিল। এ ব্লগের প্রায় সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কামিয়াব!!!!

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৮:২৯

কষ্টে কেষ্ট মেলে পরিশ্রমে সৌভাগ্য
তুমি আমি যে সোনায় সোহাগা
আমাদের দুজনের সঙ্গম অভিসার
তাই সবারই আরাধ্য ।
সুস্থতা অসুস্থতা আসে স্রষ্টার হুকুমে
ধনী দারিদ্র্যও ঠিক তাই
প্রচেষ্টায় বান্দা মদদে খোদা
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মস্মৃতি: কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায় (চতুর্থাংশ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৯:২৭


আত্মস্মৃতি: কাঁটালতা উঠবে ঘরের দ্বারগুলায় (তৃতীয়াংশ)
আমার ছয় কাকার কোনো কাকা আমাদের কখনও একটা লজেন্স বা একটা বিস্কুট কিনে দিয়েছেন বলে মনে পড়ে না। আমাদের দুর্দিনে তারা কখনও এগিয়ে আসেননি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আটকে থাকা বেতন পেয়ে বাবার কথা মনে পড়ায় যা করলাম...

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ১৫ ই জুন, ২০২৪ রাত ১২:০৮

অবশেষে অনেক সংগ্রাম করে বেতন চালু করা গেলো। শুধু আমারটা না, কলেজে ফান্ডের অভাবে আরও যারা বেতন পাচ্ছিলেন না, তাদের বেতনেরও ব্যবস্থা করলাম। নিজে দুমাসের বেতন একসাথে পেলাম। বেশ বড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×