
টেস্ট জিততে হলে কুড়ি উইকেট নিতে হবে। আর মিরপুরের স্পিন উইকেটে পাকিস্তানকে দু'বার আউট করতে হলে সাকিবকে রাখতে হবে প্রধান ভূমিকা। সাকিবের ফর্ম নিয়ে কোনো সময়ই শঙ্কা না থাকলেও সাকিবের কাছে চাওয়াটা সব সময়ই একটু বেশি। সর্বশেষ দুই টেস্টে তার বোলিংটা ভালো না হওয়ায় দলের ওপর বেশ চাপ পড়েছে। খুলনা টেস্টে তো উইকেটশূন্য থাকার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছিল তার। শেষ পর্যন্ত একটা উইকেটের দেখা পান। গত নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তো উইকেটই পাননি তিনি। সাকিব উইকেট না পাওয়ায় দলও যে চিন্তিত সেটা স্বীকার করেছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম পর্যন্ত, 'চিন্তিত বলতে, একটু তো অবশ্যই। যেহেতু দলের সেরা বোলার, সাকিব ৫-৬ উইকেট পাবে। কখনও ১-২ উইকেট পেলে হয়তো ভাবি_ তার যোগ্যতা অনুযায়ী হয়নি। মিরপুরে কিন্তু সাকিবের খুবই ভালো রেকর্ড আছে। আগে যে কাজগুলো সে করেছে এগুলো যদি এই টেস্টে করতে পারে তাহলে অবশ্যই দারুণ কিছু হবে। আমি তাকিয়ে আছি ওর দিকে। ব্যাটিং-বোলিং যদি সে খুব ভালো করতে পারে তাহলে এই টেস্ট আমাদেরই হবে।' ৩৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে সাকিব ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৪ বার।
খুলনায় সাকিবের উইকেট না পাওয়ার পেছনের রহস্যটা অবশ্য জানা গেছে ম্যাচের তৃতীয় দিনে। ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হাফিজ বলেছিলেন, তারা জানতেন সাকিবই বাংলাদেশের বোলিংয়ের মূল শক্তি। তাই তাকে টার্গেট করে আক্রমণ করেন তারা। সাকিবকে উইকেট না দেওয়ার পণ করেই নেমেছিলেন।
আজ মিরপুরে প্রথম দিনে উইকেট নিতে পারে নাই সাকিব। সাকিবের ম্যাজিকের অপেক্ষা সারা বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



