somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

" ঝুঁকির মুখে বাংলা দেশ-ও "

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বেই যান-বাহন ও বিভিন্ন কল-কারখানা থেকে অতিমাত্রায় কার্বন নিঃসরণও এর জন্য দায়ী। আর জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট দুর্যোগের সবগুলো কারণ মেলালে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ১০ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। বৈশ্বিক বার্ষিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে জলবায়ু পরিবর্তন। আর তাই এখনই জলবায়ু পরিবর্তন থেকে মানুষকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নেয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। বাংলাদেশও জলবায়ু পরিবর্তনের সমূহ ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়ে।

ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে এর প্র্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে,অতি বৃষ্টি ঘন ঘন বন্যা ও অত্যধিক বজ্রপাত এর অন্যতম কারন । গত রমজান মাসে তারাবী নামায পড়ার সময় ব্রজ্রপাতে ১৩ জন মুসল্লীর এক সাথে মৃত্যু বরনের ঘটনাটি বড় মর্মান্তিক । এ নিয়ে পত্র-পত্রিকা ব্লগে অনেক লেখা-লেখি হয়েছে । এবং তা লেখা-লেখিতেই সীমাবদ্ধ । বিদেশে তথা উন্নত বিশ্বে ১০ এর অধিক লোকের জমায়েত এর জন্য হল ,মসজিদ- মাদ্রাসা, মন্দির, গীর্জা, নির্মানের জন্য অবশ্যই লকেল গভর্মেণ্টের অনুমতি নিতে হয় । লকেল গভর্মেণ্ট বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করে দেখেন বিশেষ করে প্র্রবেশ -প্রস্তানের পথ সুপরিসর এবং বিদ্যুতের ব্যবহারে আর্থিং ব্যবস্তা মান সম্মত তা হলেই ,লকেল গভর্মেণ্ট লোক-জমায়েত হতে পারে বলে, অনুমতি প্রদান করেন । কিন্তু বাংলাদেশে এই বিধি ব্যবস্তা থাকলেও এর প্রয়োগ নেই বললেই চলে । প্র্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌর সভার আবাসিক ঘর বাড়ী গুলোর ময়লা আর্বজনা বা পয় নিষ্কাষনে সুব্যবস্তা আছে কি-? না তারও তদারকি নাই বললেই চলে । জানা মতে বাড়ী ঘরের ময়লা আর্বজনা গুলো ঘর বাড়ীর সীমানায় ঠেলে দেওয়া হয় । আক্ষেপের সাথে বলতে হয় বাঙলা দেশে জলবায়ু বায়ু দুষনের প্রভাব বেশ ভালো ভাবেই পরিলক্ষিত হচ্ছে ।
সরকারের দায় সারা গুছের কাজ প্রতিকারের ব্যবস্তা, কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ । বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই বলছিল , দেশের ভরাট নদ-নদী গুলোর খনন কার্যে বদ্ধ পরিকর । এগুলো আশায় গুড়েবালি । এখন সরকারের নিজের ঘর ও ক্ষমতা সামলোনো দাঁয় হয়ে দাড়িয়েছে । বজ্রপাত আমাদরে দেশে ফ্রেবুয়ারী মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত হয়ে থাকে । এব্যযাপারে জনৈক সাংবাদিক বাংলাদেশের আবহাওয়া পরিদপ্তরের কর্মকতাকে প্রতিকারের ব্যবস্তায় উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ কললে তিনি এব্যায়াপারে বলেন, আমাদের কিছু করনীয় নেই ,শুধূমাত্র আগাম বার্তা আমরা দিতে পারি , এটা প্রাকৃতিক । এবং আরোও.. শাহজালাল বিজ্ঞান প্র্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক প্র্রভাষক বলেন, দেশে মোবাইল ব্যবহার ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে ,ব্রজ্রপাত তারও একটি কারন । ঝড়-বৃষ্টির সময় মোবাইল ফোন বন্দ রাখার পরামর্শ দেন । ঢাকায় রাস্তা-ঘাটে কাজে কর্মে লোকজন নাকে রুমাল বেধে কাজ করতে দেখা যায় । এমন ট্রাফিক পুলিশরাও হেলমেটের সাথে রুমাল ব্যবহারে করে থাকেন । ঢাকায় একটি সাদা সার্ট একদিন ব্যবহারে য়োগ্য হলেও পশ্চিমা বিশ্বে এই সার্টটি ৪/৫ দিন পরা যায় ।

আমাদের সরকার গনহারে যানবাহন চলাচলের ,দুষনযোগ্য কলখারখানার ,পাইকারী ব্রীকফিল্ডের , অনুমতি দিয়ে আমাদের বাংলাদেশ কে বসবাসে ঝুঁকির মধ্যে দাঁড় করানো হয়েছে। আমাদের সবাই কে সচেতন হতে হবে , আর কিছু না পারি লেখা-লেখির মধ্যে দিয়ে সরকার তথা সমাজ ব্যবস্তার দায় বদ্ধতার ইংগিত করতে পারি আমরা ।

(দেশী-বিদেশী বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ওয়েব সাইট থেকে তথ্য সংগৃহীত)



২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×