somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিংকর্তব্যবিমুড় !

০৯ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"কোনো জাতীয় বা আঞ্চলিক মহাসড়ক বেহাল দশায় নেই" -যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।"বর্তমানে দেশের কোথাও
কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম হচ্ছে না। চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বাজার-পরিস্থিতিও অনেক ভালো।" -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।
"ঈদে বাড়ি গেলে ঘরে তালা লাগিয়ে যাবেন।" - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন।
এই সব কথা শুনে কি হাসা উচিৎ নাকি ক্ষোভ প্রকাশ করা উচিৎ নাকি নির্বাক থাকা উচিৎ কিছুই বুঝতে পারছি না। জনগণকে কতবড় মূর্খ্য মনে করলে এসব কথা বলতে পারে। যেকোন সমস্যা সমাধানের আগে সমস্যার কথা স্বীকার করতে হবে তারপর না সমাধান। আপনার যদি মাথা ব্যাথা হয় তাইলেই না আপনি ডাক্তারের কাছে যাবেন। আপনি যদি স্বীকারই না করেন আপনার মাথা ব্যাথা আছে তাহলে কি ডাক্তারের কাছে যাবেন ? আর ডাক্তারের কাছে না গেলে আর ডাক্তারই বা আপনাকে ঔষধ দিবে কিভাবে ? আমাদের রাজনৈতিক নেতারা কোন সমস্যার কথাই স্বীকার করেন না। - তাহলে তারা তার সমাধান কিভাবে করেবন ? আমরা জানি আমাদের সরকারের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু তারা যদি সমস্যার কথা স্বীকার করে তাদের স্বল্প সামর্থ দিয়ে যতটুকু পারুক সমাধান করত বাকিটা হয়ত জনগণ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখত। কিন্তু তারাতো কোন সমস্যার কথাই স্বীকার করেনা।
তাদের কথামত বাংলাদেশ একটি স্বর্গরাজ্য। এখানে খুন খারাপি নাই! চাদাবাজী নাই! সন্ত্রাস নাই! রাস্তাঘাট ঠিকঠাক আছে ! কার কোন অভাব নাই ! দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ! সবার ঘরে ঘরে চাকুরী আছে ! শেয়ার বাজার ঠিকঠাক আছে ! পদ্মা সেতুতে কো দূর্নীতি হয় নাই ! আবুলের মত দেশপ্রেমিক আছে ! মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সরাসরী কথা বলার জন্য মোবাইল নাম্বার আছে ! আমাদের তো কোন সমস্যা দেখতেছি না। এমন একটি স্বর্গরাজ্য পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। আমরা জাতী হিসাবে আসলেই অকৃজ্ঞ। সবার উচিত এই সফল সরকারকে আগামী ৫ বছরের জন্য পূণঃ নির্বাচিত করা। এবং এর জন্য কোন নির্বাচনেরও প্রয়োজন নাই! কারন যুদ্ধ অপরাধের বিচার করার জন্য তাদেরকে জনগণ নির্বাচিত করেছে। সুতরাং যতদিন যুদ্ধ অপরাধের বিচার না হবে ততদিন তারা নির্দ্বিধায় ক্ষমতায় থাকতে পারে। আর বিচার করতে করতে ২০-৫০ বছর যাই লাগুক এই সফল সরকার ক্ষমতায় থাক। আর আমরা আম-জনতা স্বর্গরাজ্যে সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে থাকিব ! ! !
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×