এই বয়সে দেড় ঘন্টার ক্লাস, আর ক্লাস মানে স্যার নামক অপ্রিয় প্রজাতির অবিরাম বকবক। কিন্তু কি আর করা? ক্লাস না করলে আবার প্রক্রিয়াধীন ডিগ্রির উপর নানারকম অশুভ প্রভাব। সুতরাং ততো পাঁচন গিলতে হচ্ছে। কিন্তু মনটা তো স্যারের আওতামুক্ত। সেখানে চলে নানা রকম কাব্যকথা। সেরকই একটা, একেবারে গরম গরম..... আজকেই লেখা।
তোমার কালো জুতো
তোমার লাল সালোয়ার
তোমার কাঁচপোকা কামিজ
তোমার হাতের ছোট ঘড়ি
তোমার সিম্পল মুঠোফোন
তোমার পানির বোতল
তোমার পরিপাটি ক্লাস থাতা
তোমার কালো বলপয়েন্ট
তোমার কালো জর্জেট ওড়না
তোমার বিদেশী স্কার্ফ
.......................
.........................
সব তুমি দান করে দিও
শুধু তোমার"তোমাকে" আমাকে দিও।
পাদটিকা:
এই কবিতার মডেল শ্রদ্ধেয় বড়আপু .........নাম সম্ভবত তাসনিয়া তহুরা। তিনি মাস্টার্স সেকেন্ড সেমিস্টার, আর আমি ফার্স্ট সেমিস্টার। আমাদের ক্লাস একত্রে, এবং তাকে একঘন্টা যাবত চোখে চোখে রেখে, দেখে এই সুষ্টি।
আরো আছে:
তার মুখটা মিষ্টি, কিন্তু সেই মিষ্টির উপর আছে একটা বিষাদের প্রলেপ, দেখে মনে হয় যেন পৃথিবীর সব বেদনার নির্য়াস যেন তার কাছে জমা। এইজন্য তাকে ভাল লেগেছে।
আশার কথা:
হয়তো কাল আর তাকে ভাল লাগবে না। কারণ আমি আমার ভাল লাগার দিকে কখনো পিছন ফিরে তাকাইনা। এইটা আমাকে কষ্ট দেয়, আজ অথবা কাল . . . .

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


