somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কিছু কথা।মতামত আশা করছি.....

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কিছুদিন পরে পোলাপান ঘরে বসেই পরিক্ষা দিতে পারবে।বই দেখে দেখেই!
নতুন এই অসাধারণ সিস্টেমের চিন্তা নাহিদ কাক্কুর মাথায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।এখনো আসেনি!
আসেনি কারণ আমি ফিউচারের কথা বলছি!

বাসায় বসেই এখন প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে।
টাকা ছাড়াই।
তাই এই সিস্টেম অসম্ভব কিছুনা।
শিক্ষা বিভাগের যেহেতু শুধু এ+ দরকার তাই এই সিস্টেম বের করতে পারে!

এ+ বাড়াতে আরো কিছু অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।যা আমার গোবর ভরা মাথা থেকে এসেছে-

১।শিক্ষার্থীদের ক্লাসে সাবজেক্টভিত্তিক পড়ালেখা বাদ দিয়ে কিভাবে,কোথায় প্রশ্ন পাওয়া যাবে সেটা শেখানো যায়।

২।পরিক্ষা শিক্ষার্থীরা তাদের বাসায় বসে দিতে পারবে।

৩।পরিক্ষার হলে মোবাইল আনতে হবে এবং প্রশ্নের উত্তর লিখে আনতে হবে মোবাইলে।যে এই আইন অমান্য করবে তার ১৯৯ বছরের জেল হবে(অবাক হওয়ার কিছু নেই।যে দেশে ৯০ বছরের বুড়োকে হাস্যকরভাবে বিচারের নামে ৯০ বছরের জেল দেওয়া যায় সে দেশে এটাও একটা বিচার)

৪।প্রয়োজনে শিক্ষকরা খাতায় লিখে দিতে পারেন।সেটাও সম্ভব না হলে নো ফ্রুবলেম!নাহিদ আংকেল তো আছেন!উনি নিজেই লিখে দিবেন এসে।

৫।এসবেও এ+ না বাড়লে কি আর করার।কঠোর নিয়ম দেওয়া যায় যে ক্যান্ডিডেটরা সবাই সাদা খাতা জমা দিয়ে আসবে হলে।আর জমা দেওয়ার আগে সবাই যার যার খাতায় যত ইচ্ছা তত মার্কস বসিয়ে আসতে হবে!
যাই বললাম সিরিয়াসলি নেওয়ার ব্যাপারটা আপনার।
শিক্ষাবিভাগের লোকদের বলি-অঝথা কষ্ট করে প্রশ্ন আউট না করে উপর্যুক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করুন।কাজে দিবে।

অবাক হতে হয়!
কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের পাবলিক পরিক্ষার মতো মহাযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে হচ্ছে!
এরা এর গুরুত্ত্বই বা কতটুকু বুঝতে পারছে?
PSC ক্যান্ডিডেটদের কথা বলছি.........

আরো অবাক হওয়া কথা এরা পরিক্ষায় আগের রাতেই রেডিমেট প্রশ্ন পেয়ে যাচ্ছে!
হ্যা রেডিমেডই তো!
শুধু 'সাইকেল' এর যায়গায় হয়তো 'মাইকেল' লেখা!
এইটাই পার্থক্য।

আমাদের সময়ও সেম অবস্থা হয়েছিলো।
পরিবর্তন আসেনি।
কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি।

এই বাচ্চাগুলা বড় হচ্ছে নিশ্চিন্তে!
পড়ালেখার কি দরকার?
প্রশ্ন পরিক্ষার আগের রাতেই পেয়ে গেলে পড়ে কি লাভ?
অন্ধকার যুগের দিকে যাচ্ছি মনে হচ্ছে।
এমন চলতে থাকলে ৫০/৬০ বছর পর দেখা যাবে আমরা ঐ নেংটি পড়া আদিম জংলী হয়ে গেছি!

এ দেশে যে কোনো সময় পরিক্ষা নামক কিছু হতো সেটা হয়তো নাতি-পুতিদের কাছে গল্পের বিষয়বস্তু হয়ে উঠবে!

সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখলাম মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন-
"ফেসবুকে প্রশ্ন ফাসের বিষয়টি গুজব ছাড়া কিছুই নয়।প্রয়োজনে পরিক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখা হবে"

ব্যর্থতা কার?
আপনাদের।
আর বন্ধ রাখা হবে ফেসবুক।

ফেসবুক বন্ধ থাকলে কি হবে প্রশ্ন ফাসকারীরা তো জেগে থাকবে!
কি মনে হয় আপনার?

আমরাই মনে হয় একমাত্র জাতি যাদের শিক্ষাব্যবস্থা এতোটা দূর্বল!

আসলে প্রশ্ন দেখে যারা পরিক্ষা দেয় তাদের দোষ দিয়ে কি লাভ?
ভালো শিক্ষার্থীরা যখন দেখবে দূর্বলরা প্রশ্ন পেয়ে তাদের চেয়ে বেশি মার্কস পেয়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রশ্ন আউট ঠেকানো যাচ্ছেনা কোনো ভাবেই তখন তারও প্রশ্নের খোজে নামবে!পাবলিক পরিক্ষা বলে কথা!

এভাবে ফেসবুকে/ব্লগে লেখালেখি করে কোনো ফায়দা হবেনা।
মিডিয়া যেখানে কিছু করতে পারছেনা সেখানে আমরা ব্লগাররা কি করবো?

শুধু দোয়া করি যেন শিক্ষামন্ত্রীর চোখ খোলে।
উনার দেখা দরকার।
উনি ঘুমিয়ে আছেন।
আমরা এসব দেখতে দেখতে বিরক্ত।
শিক্ষাবিভাগের লোকরা জড়িত এসবের সাথে।
আপনাদের ভয় দেখানোয় কোনো কাজ হচ্ছেনা।
এখন ফেসবুকে প্রকাশ্যেই প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়।
বুঝতেই পারছেন দালালরা আপনাদের বুড়ো আঙ্গুল দেখাচ্ছে।

সো প্লিজ.........
নিজেদের ব্যর্থতাটাও দেখবেন......

বি. দ্র.
বানানগত ভুলের জন্য দুঃখিত.....
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×