১)
জামায়াতে ইসলামী আর শিবিরের মধ্যে মতপার্থ্যক্য দিন দিন বাড়ছে বলে অনেকেই মনে করছেন । জামাতের সিনিয়র নেতাদের সাথে শিবিরের ‘টগবগে’ তরুণদের এ মতের একটু ভিন্নতা থাকা আসলে দোষের কিছু বলে আমি মনে করিনা । অনেক ‘পুরাতন’ ধ্যান ধারণার প্রবক্তা ও শিবিরের আপডেট তরুণদের মাঝে এ ফারাকটা সাম্প্রতিক সময়ে একটু বেশিই বলে অনুভুত হচ্ছে ।
২)
৭১ ইস্যুতে এদের মাঝে যে বিভক্তি-দ্বন্দ্ব-মনোমালিন্য কিংবা যে শব্দেই তা প্রকাশ করা হোকনা কেন তা আসলেই সমাধানের দাবি রাখে বলে আমার ধারনা । ৭১ ইসুতে কোন কথা না বলা কিংবা বিষয়টা ক্লিয়ার থাকা না থাকা নিয়ে এ দুয়ের মাঝে ডিবেট ,আলোচনা কিংবা সমালোচনাও আছে ।
৩)
জামাতের রাজনৈতিক উত্থান , শিবিরের ‘ক্যাডার’ ই স্টাইলে ছাত্রদের মন জয় বিরোধীদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে সেই কবে ! এত ঝড়-জাপটা-জুলুম -নির্জাতন –ফাসি-আহত-পঙ্গুত বরণ-কারাগারে মাসের পর মাস আছে জামাত শিবিরের কর্মিরা ।
৪)
ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামাত শিবির ধোয়া তুলসীপাতা তা আমি বলবনা । তবে তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকাটাও তো দেখতে হবে । এদের এক পক্ষ চাচ্ছিল ঝামেলা মুক্ত ভাবে ‘ওয়ার ক্রাইমস’ ইস্যুটাকে পাশ কাটিয়ে নতুন ভাবে শুরু করতে। আরেক পক্ষ চাচ্ছিল আইনি ও রাজপথে লড়াই করে একটা সমাধানে আসতে । তবে সে ক্ষেত্রে তাদের অর্জন তারাই ভাল বলতে পারবেন ।
৫)
‘সনাতনপন্থী’ জামাত নেতা কিংবা ‘আধুনিক’ ও ‘আপডেটেড’ শিবিরের মাঝে যুব সিস্টেম না থাকায় হয়ত এ সমস্যা । কিংবা হতে পারে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রিক কোন আশা –ভরশা – উচ্চাকাঙ্ক্ষা , পড়াশুনার ঘাটতি , সিলেবাস যুগের আলোকে বিন্যাসের ঘাটতি কিংবা অন্য কোন ‘ষড় ক’ ক্যাটালিস্ট ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



