somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ(সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করার ফজিলত ও গুরুত্ব :২

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোহাম্মাদ আলী মোর্তজা
সালাওয়াতের ভাবার্থ ও ধরণ
সূরা আহযাবের ৫৬ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে:
إِنَّ اللَّهَ وَ مَلَئكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلىَ النَّبىِ‏ِّ يَأَيهَُّا الَّذِينَ ءَامَنُواْ صَلُّواْ عَلَيْهِ وَ سَلِّمُواْ تَسْلِيمًا
“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতাগণ সর্বদা নবীর প্রতি দরুদ প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ কর এবং তাঁর প্রতি যথাযথভাবে সালাম জানাও।”
এখন প্রশ্ন হচ্ছে আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ প্রেরণ করেন এর অর্থ কি এবং দরুদের ধরণই বা কেমন? শিয়া- সুন্নি উভয় মাযহাবের পক্ষ থেকে যে সকল হাদীস বর্ণিত হয়েছে তা থেকে বোঝা যায় সালাওয়াতের ধরণ কেমন। আবু হামযা ছুমালী কা’ব বিন উজরা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন সালওয়াতের আয়াতটি অবতীর্ণ হল তখন সাহাবারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল(সা.) আমরা জানি কিভাবে আপনার প্রতি সালাম প্রেরণ করতে হবে কিন্তু আপনার প্রতি সালাওয়াত প্রেরণের পদ্ধতি সম্পর্কে তো আমরা জানি না। রাসূল(সা.) বললেন, বল:
اللّهُمَّ صَلِّی عَلی مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ كما صليت علي آل ابراهيم انك حميد مجيد اللهم بارك علي محمد و علي آل محمد كما باركت علي آل ابراهيم انك حميد مجيد. ১
এই হাদীসে রাসূল(সা.)-এর পাশাপাশি তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে, আহলে বাইতের মর্যাদা অতি সমুন্নত এবং তাঁরা রাসূল(সা.)-এর সাথে আষ্টে-পিষ্ঠে জড়িত। আহলে বাইতের গুরুত্ব ও মর্যাদা এতই বেশী যে রাসূল(সা.) তাঁর প্রতি সালাওয়াত পাঠ কারর পর তাঁর আহলে বাইতের প্রতি সালাওয়াত পাঠ না করার নিন্দা করেছেন এবং সেটাকে লেজকাটা বা অসম্পূর্ণ সালাওয়াত হিসাবে উল্লেখ করেছেন। আহলে সুন্নতের একজন বিখ্যাত আলেম ইবনে হাজার হাইছামী বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল(সা.) বলেছেন: আমার উপর অসম্পূর্ণ সালাওয়াত পাঠ কর না। জিজ্ঞাসা করল: অসম্পূর্ণ সালাওয়াত মানে কি?
রাসূল(সা.) বললেন: আমার উপর সালাওয়াত পাঠ করার পর আমার পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ না করা। পরিপূর্ণ সালাওয়াত হচ্ছে এরূপ: “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মাদ।”
اللّهُمَّ صَلِّی عَلی مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ. ২

গূয়ূতী তার তাফসীরে দুরুরল মানছুরে রাসূল(সা.) থেকে ১৮টি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে বলা হয়েছে যে, রাসূল(সা.)-এর উপর দরুদ পাঠ করার সময় অবশ্যই তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপরও দরুদ পাঠ করতে হবে। ৩
অপর একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নামাজ কবুল হওয়ার শর্ত হচ্ছে রাসূল(সা) ও তাঁর আহলে বাইতের উপর দরুদ পাঠ করা: “যে ব্যক্তি নামাজ পড়বে অথচ আমার ও আমার আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করবে না তার নামাজ কবুল হবে না।”৪
সালাওয়াতের গুরুত্ব
সালাওয়াত হচ্ছে মুসলমানদের একটি প্রচলিত শ্লোগান যাকে তারা দিনে রাতে তাদের সর্বোত্তম ইবাদতে(নামাজে) বারংবার পাঠ করে। আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতাগণ সর্বদা নবীর প্রতি দরুদ প্রেরণ করেন এবং মুমিনগণকেও নবীর জন্যে দরুদ পাঠ করার নির্দেশ এবং রাসূলের আনুগত্য করার আদেশও সালাওয়াতের গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।
্রياايها الذين ءامنوا صلوا عليه و سلموا تسيماًগ্ধ
আবু বাসীর ইমাম জাফর সাদিক(আ.)-এর কাছে প্রশ্ন করলেন: রাসূল(সা.)-এর প্রতি সালাওয়াত পাঠ করা কি তা জানি কিন্তু তার আনুগত্য বলতে কি বোঝানো হয়েছে: ইমাম বললেন: সকল ক্ষেত্রে তাঁর আনুগত্য করাকে বোঝানো হয়েছে। ৫
হাদীসে সালাওয়াতকে সর্বোত্তম আমল হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। খারাজমী তার মানাকিব গ্রন্থে আবু আলকামা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একদা রাসূল(সা.) ফজরের নামাজ আমাদের সাথে পড়লেন অত:পর আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন: গত রাতে আমার চাচা হামযা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব এবং চাচাতো ভাই জাফর ইবনে আবু তালিবকে স্বপ্ন দেখলাম। তাদের কাঝে প্রশ্ন করলাম: তোমাদের কোন আমল সর্বোত্তম ছিল? তারা বললেন: তিনটি আমলকে সর্বোত্তম হিসাবে পেয়েছি: আপনার প্রতি সালাওয়াত পাঠ করা, তৃষ্ণার্তদেরকে পানি পান করানো এবং হযরত আলী(আ.)-এর সাথে বন্ধুত্ব। ৬
সালাওয়াতের গুরুত্ব সম্পর্কে আরেকটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে: ইমাম জাফর সাদিক(আ.) রাসূল(সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: যার নিকট আমার নাম উচ্চারণ করা হবে অথচ সে আমার উপর দরুদ পাঠ করবে না সে বেহেশত থেকে বঞ্চিত হবে। ৭ অবশ্য এত বড় শাস্তি তারই হবে যে ইচ্ছাকৃতভাবে এবং শত্র“তা করে সালাওয়াত পাঠ করবে না।
নামাজে সালাওয়াত পাঠ করা ওয়াজিব এবং তা নামাজ কবুল হওযার শর্ত এটা প্রমাণ করে যে সালাওয়তের গুরুত্ব অতি ব্যপক। শিয়া আলেমগণ এবিষয়ে একমত যে নামাজের প্রথম ও দ্বিতীয় তাশাহহুদে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করা ওয়াজিব। শিয়া পণ্ডিতগণ ছাড়াও আহলে সুন্নতের বিভিন্ন গ্রন্থে অসংখ্য হাদীস বর্ণিত হয়েছে যা প্রমাণ করে যে নামাজে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করা ওয়াজিব। যেমন:
্রمن صلي صلوة و لم يصل فيها علي و علي اهل بيتي لم تقبل منهগ্ধ ৮
একারণেই আহলে সুন্নতের ফকিহ জনাব শাফেয়ী, আহমাদ ইবনে হাম্বাল এবং আরো অনেকে বিশ্বাস করেন যে, নামাজের দ্বিতীয় তাশাহহুদে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করা ওয়াজিব। যদিও মালেক এবং আবু হানিফা মনে করেন যে, নামাজে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করা মুস্তাহাব। ৯ কিছু মুফাসসির কয়েকটি হাদীসের ভিত্তিতে মনে করেন যে, সালাওয়াত হচ্ছে الست بربكم، قالوا بلي... শপথের সাথে পূণরায় অঙ্গিকারাবদ্ধ হওয়া যেটা হযরত আদম(আ.) সৃষ্টির সূচনাতে করেছিলেন।
ইমাম মুসা ইবনে জাফর(আ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে: যে ব্যক্তি মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করে সে আলমে যারে যে অঙ্গিকার করেছিল তারই পূণরাবৃত্তি করে।
্রالست بربكم و محمد نبيكم و علي امامكمগ্ধ
এটাকে কবুল করে পূণরায় অঙ্গিকারাবদ্ধ হয়। ১০
সালাওয়াতের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসূল(সা.) এবং পবিত্র ইমামগণ থেকে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে যা সালাওয়াতের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক ফজিলত ও ভূমিকার কথা বর্ণনা করে। নিম্নে তার কিছূ দৃষ্টান্ত তুলেধরা হল:
সালাওয়াতের ফজিলত ও ভূমিকা:
পবিত্র কোরআনে বর্নিত হয়েছে: “হে মানুষ তোমরা সকলেই আল্লাহর মুখাপেক্ষি”। ১১
হে ঈমানদরগণ! যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমাদেরকে যা জীবন দান করে সে দিকে আহবান করে তোমারা তাতে সাড়া দাও। ১২
হাদীসের দিকে আলোকপাত করলেও বোঝা যায় যে সালাওয়াতের বহু ইহলৌকিক ও পরলৌকিক ফজিলত রয়েছে।
ক। ইহলৌকিক ফজিলত:
১। দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে সালাওয়াতের ভূমিকা:
ইমামগণের দোয়াতে যেমন: সহিফায়ে সাজ্জাদিয়ার দোয়াসমূহতে, মোনাজাতে শাবানিয়াতে, মাকারেমুল আখলাক ইত্যাদি দোয়ার প্রথমে, মাঝে এবং শেষে সালাওয়াত পাঠ করতেন। কারণ সালাওয়াত হচ্ছে কবুল হওয়া দোয়া। ১৩
একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে: যারই আল্লাহর কাছে কোন কিছূ প্রার্থণা থাকে সে প্রথমে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করবে তারপর প্রার্থনা করবে এবং আবার সালাওয়াত পাঠ করবে। এভাবে তার দোয়া অবশ্যই কবুল হবে কেননা আল্লাহ দুই পাশের দোয়া কবুল করবেন আর মাঝের দোয়া কবুল করবেন না এমনটি হতে পারে না। কেননা আল্লাহ সালাওয়াত অবশ্যই কবুল করেন। ১৪
আল্লাহ বলেছেন তেমারা তাকওয়া এবং ওছিলার মাধ্যমে আমার নৈকট্য কামনা কর:

্রيا ايها الذين امنوا اتقواا... و ابتغوا اليه الوسيلهগ্ধ ১৫
এই আয়াতের তাফসীরে বর্নিত হয়েছে যে, পবিত্র ইমাম বলেছেন: “এই আয়াতের ওছিলা বলতে আমাদেরকেই বোঝানো হয়েছে।” ১৬
রাসূল(সা.) বলেছেন: আমার উপর সালাওয়াত পাঠ করলে তোমাদের মনবাসনা পূর্ণ হবে, আল্লাহ তোমদের উপর সন্তুষ্ট হবেন এবং তোমাদের আমলকে পবিত্র করা হবে। ১৭
২। ফেরেশতাদের সান্নিধ্য প্রাপ্ত ও তাদের তওবার অধিকারী হওয়া:
যেহেতু ফেরেশতাগণ সর্বদা রাসূল(সা.)-এর উপর দরুদ পাঠ করেন তাই যখন মোমিনগণও সালাওয়াত পাঠ করবে অর্থাৎ তারাাও ফেরেশেতাদের সাথে হয়ে যাবে। আর যারা সালাওয়াত পাঠ করে ফেরেশতাগণ তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করেন।
রাসূল(সা.) বলেছেন যে, মহান আল্লাহ বলেছেন: যে তোমার উপর সালাওয়াত পাঠ করবে ৭০ হাজার ফেরেশতা তার উপর সালাওয়াত পাঠ করবে এবং যার উপর ৭০ হাজার ফেরেশতা সালাওয়াত পাঠ করে সে বেহেশত বাসী হবে। ১৮
৩। সালাওয়াত মোনাফিকি, দু:ক্ষ এবং কৃপণতা দূর করে
রাসূল(সা.) বলেছেন: আমার ও আমার পবিত্র আহলে বাইতের উপর দুরুদ ও সঅলাওয়াত পাঠ করলে মোনাফিকি দূর হয়। ১৯
আরেকটি হাদীসে রাসূল(সা.) ইমাম আলী(আ.)-কে উপদেশ দিয়ে বলেন যে: যখন তোমার কোন দু:ক্ষ কষ্ট হবে তখন রাসূল(সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করবে। ২০
রাসূল(সা.) বলেছেন: সেই ব্যক্তি কৃপণ যার সামনে আমার নাম নেয়া হয় অথচ সে আমার উপর সালাওয়াত পাঠ করে না। ২১
সালাওয়াতের পারলৌকিক ফজিলত:
১। রাসূল(সা.)-এর সান্নিধ্য ও তাঁর শাফায়াত প্রাপ্ত হওয়া
রাসূল(সা.) বলেছেন: যে ব্যক্তি আমার উপর সালাওয়াত পাঠ করবে সে আমার শাফায়াত প্রাপ্ত হবে। ২২
তিনি আরো বলেছেন: কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি আমার নিকটবর্তী থাকবে যে আমার প্রতি বেশী সালাওয়াত পাঠ করবে। ২৩
২। গোনাহের কাফফারা, জাহান্নামের আগুন থেকে পরিত্রাণ এবং কবরের আয়াব থেকে মুক্তি
ইমাম রেযা(আ.) বলেছেন: যে নেক কর্মের মাধ্যমে তার গোনাহসমূহকে ঢাকতে পারবে না সে যেন রাসূল(সা.) ও তাঁর পবিত্র আহগলে বাইতের অধিক সালাওয়াত পাঠ করে কেননা সালাওয়াত গোনাহসমূহকে ধ্বংস করে। ২৪
তিনি বলেছেন: আমার উপর সালাওয়াত হচ্ছে পুল সিরাতের নূর এবং যার কাছে নূর থাকবে সে জাহান্নামি হবে না। ২৫
রাসূল(সা.) বলেছেন: আমার প্রতি অধিক সালাওয়াত পাঠ কর কেননা আমার প্রতি সালাওয়াত হচ্ছে কবর ও বেহেশতের নূর। ২৬
৩। নেক আমল বৃদ্ধি পাবে
আনাস ইবনে মালিক বলেন: একদা রাসূল(সা.)-এর কাছে গেলাম দেখলাম যে তিনি খুবই আনন্দিত, কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন: কেন আনন্দিত হবনা, জীব্রাইল এখনই চলে গেলেন এবং বললেন যে আল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি একবার অপনার উপর সালাওয়াত পাঠ করবে, ১০ বার তার উপর সালাওয়াত পাঠ করব, তার ১০টি গোনাহ মাফ করব এবং তার জন্য ১০টি নেক আমল লিখব।
অনুরূপভাবে ইমাম জাফর সাদিক(আ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে: কিয়ামতের দিন সবয়েছে ভারী নেক আমল হচ্ছে রাসূল(সা.) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের উপর সালাওয়াত পাঠ করা। ২৭

তথ্য সূত্র
১। তাফসীরে মিনহাজুস সােিদকিন, ৭ম খণ্ড, পৃ: ৩৩৫, সুনানে ইবনে মাজা, ১ম খণ্ড, পৃ: ২৯৩।
২। তাফসীরে নমুনা, ১৭তম খণ্ড, পৃ: ৩১৯।
৩। তাফসীরে আল মিযান, ১৬তম খণ্ড, পৃ: ৫১৭।
৪। আস সাওয়ায়েকুল মুহরিকা, পৃ: ১৪৬-১৪৭।
৫। তাফসীরে মাজমাউল বায়ান, তাবারসী, ৭ম খণ্ড, পৃ: ৫৭৯।
৬। তাফসীরে মিনহাজুস সােিদকিন, ৭ম খণ্ড, পৃ: ৩৬১।
৭। উছুলে কাফী, কুলাইনি, ২য় খণ্ড, পৃ: ৩৯৫।
৮। বাররাসী আয়াতে ওয়া রেওয়ায়াতে সালাওয়াত, মুর্তাজা মোহসেনী কাবীর, পৃ: ১২৩।
৯। তাফসীরে মিনহাজুস সােিদকিন, ৭ম খণ্ড, পৃ: ৩৫৭।
১০। তাফসীরে জামে, ৫ম খণ্ড, পৃ: ৩৭।
১১। ফাতির/ ১৫।
১২। আনফাল/ ২৪।
১৩। বাররাসী আয়াতে ওয়া রেওয়ায়াতে সালাওয়াত, মুর্তাজা মোহসেনী কাবীর, পৃ:৯।
১৪। উছুলে কাফী, কুলাইনি, ২য় খণ্ড, পৃ: ২৫২।
১৫। মায়িদা/ ৩৫।
১৬। তাফসীরে আল মিযান, ৫ম খণ্ড, পৃ: ৫১৭।
১৭। তাফসীরে আল মিযান, ৫ম খণ্ড, পৃ: ৩২৬।
১৮। জামেউল আখবার, পৃ: ৬৮।
১৯। মুহাজ্জাতুল বাইদা, ২য় খণ্ড, পৃ ৩১৩।
২০। কানযুল উম্মাল, ১ম খণ্ড, পৃ: ১৮১।
২১। কানযুল উম্মাল, ১ম খণ্ড, পৃ: ১৮৯।
২২। শারহে ফাযায়েলে সালাওয়াত, পৃ: ৮৬।
২৩। শারহে ফাযায়েলে সালাওয়াত, পৃ: ৮৫।
২৪। আছারুস সাদেকিন, ১১তম খণ্ড, পৃ: ২১৪।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×