উৎসর্গ: একজন সুশীল ব্লগার (মুক্তি যোদ্ধা না হয়েও যিনি দেশের জন্য যে কোন মুহূর্তে জীবন দিতে এবং নিতে প্রস্তুত)
অনেক বছর পর পৃথিবীতে ঐ মানুষটা আত্ন প্রকাশ করল একজন কুশীল (টাইপিং মিসটেক, আসলে হবে সুশীল) ব্লগার হিসাবে। একটি ব্লগ সাইটে সে লেখা শুরু করল। এইগুলিকে অবশ্য লেখা বললে, বাজারের ফর্দও একটি উচ্চমানের কবিতা।
আমার ধারনা এই ব্লগের মডারেশন টিমের অনেক দিন আগেই মৃত্যু ঘটেছে। কারণ বর্তমানে তথাকথিত ব্লগাররা (এদের আদৌ ব্লগার বলা যায় কিনা আমার ঘোর সন্দেহ আছে) যে নোংরা ভাষা এখানে প্রয়োগ করা শুরু করেছে তাতে করে এই সাইটটিকে অনেকে একটি চটি ব্লগ সাইট বলে ভুল করতে পারেন। বেশীর ভাগ ব্লগাররাই এখান থেকে তাদের গুটিয়ে নিচ্ছেন।
এই সব পাগলদের পশ্রয় দিয়ে এরা কি ভুল করছে এক সময় হয়ত উপলব্ধি করবে, কিন্তু তত দিনে হয়ত অনেক দেরী হয়ে যাবে। কারণ আমি এদের বলব ভাইরাস ব্লগার। কম্পিউটার ভাইরাসের মত এরা ব্লগের পরিবেশ ধ্বংস করছে।
তার একটি মন্তব্য এ রকম - আমরা অনেক কাঠখর পুড়িয়ে একটি প্লাটফরম পেয়েছি যা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির।
আমাদের অধিকাংশই মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু আমাদের সমর্থন সব সময় মুক্তিযুদ্ধ ও যোদ্ধাদের প্রতি থাকবে।
ব্লগেও একটি মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো। আমাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ আবেগের হলেও সামহোয়্যারের কাছে তা ব্যবসা। শুধুই হিট বানিজ্য। পুরনোরা অনেকেই জানেন ঐ প্লাটফরমে জামায়াতের ইনভেস্টের কথা। আরিল ও জানার জামায়াত প্রীতির কথাও কারও অজানা নয়।
ব্বস্ নিয়ে তার মন্তব্য হচ্ছে-সামহোয়্যার একটি পাতানো প্রতিযোগিতার আয়োজন করে নিজেদের পছন্দের লোকদের সিলেক্ট করেছে। শুধু জুরি বোর্ড না, পাঠকের ভোটেও সামহোয়্যারের পা (থুক্কু হাত আছে)।
অনেক্ষণ ধইরা পেট চাইপা রাখছিলাম, আর পারলাম না। সম্ভবত এই তথাকথিত নব্য মুক্তিযুদ্ধা (আসলে হবে দেশপ্রেমিক) চুচিল (সরি আবার টাইপিং মিসটেক) ব্লগারের প্রবাসে বইসা এক্স মুভি দেখার সময় লিকারে চুমুক দিতে গিয়া মাথা আউলাইয়া গেছে। উনি প্রবাসে বইসা দেশ উদ্ধার কইরা ফালাইতাছেন। হিক্ (এ্যালকোহলের প্রভাব)।
ব্বস্ প্রতিযোগিতার আয়োজক জার্মানির ডয়চে ভেলে, সামহোয়্যার নয় (যেহেতু উনার মাথায় গাধার ব্রেইন তাই উনি বুঝতে পারেননি)। আর এইটা কি সংসদ নির্বাচন নাকি যে কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট মারা হয়েছে। প্রতিযোগিতার যখন আয়োজন করা হয় তখন আপনাদের মত জাঁদরেল ব্লগাররা কই ছিলেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে নির্ঘাত আপনারা ফাটিয়ে ফেলতেন (কি ফাটাতেন সেটা বলতে চাচ্ছি না, বুদ্ধিমান পাঠকরা ঠিকই বুঝে নিবেন)।
সবচেয়ে হাস্যকর হচ্ছে দুনিয়ার নোংরামি করছেন আর নিজের প্রোফাইলে জাতীয় পতাকার ছবি ঝুলিয়ে রেখেছেন (উনি কত বড় দেশপ্রেমিক তা বোঝানোর চেষ্টা আরকি)। কয়েকটি নিক নিয়ে নিজের পোস্টে নিজেই মন্তব্য করছেন-মারহাবা কি দারুণ পোস্ট। হা হা হা ।
হে ইশ্বর, তুমি আমাদের মত নিরীহ ব্লগারদের এই সব সুশীল ব্লগারদের হাত থেকে রক্ষা কর।
ইয়া মাবুদ, তুমি আমাদের এই প্রিয় দেশকে এই সব দেশপ্রেমিকদের হাত থেকে রক্ষা কর।
-আমীন।
রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।
কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতা
" অদেখা দূরত্ব "
তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
একলা আমি...
সব মানুষের ভিতর একটা একলা 'আমি' থাকে। যে আমি হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের একাকিত্বকে আগলে রাখে। সেখানে একটা 'তুমি'ও থাকে। যে তুমি, চিরবিরহের। যে তুমি অনেক দূরের, যাকে চোখ দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!
প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”
বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।