somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যুৎ এবং আমাদের সার্বভৌমত্ব

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গতকাল আমি বিদ্যুৎ নিয়ে যত ব্লগ এবং স্ট্যাটাস দেখলাম ঈদ নিয়েও এর ধার এর কাছে দেখি নাই। ট্রল পেজ গুলো অসাধারান অসাধারন কিছু পোস্ট দিল। যা পড়ে আমরা মারাত্নক বিনোদিত হয়েছি। আমার মাথায় আজ কয়েকটা ব্যাপার ঘুরছে। সেগুলো বলছি তবে তার আগে একটু গল্প করি।
জিয়াউর রহমান যখন প্রেসিডেন্ট তখন একবার রাশিয়া সফর এ যান। সেখানে এক অস্ত্র প্রদর্শনী চলছিলো। তিনি সেখানে ঘুরতে যান। একটি ক্ষেপণাস্ত্র দেখিয়ে আয়োজক জিয়াউর রহমানকে বলেন, স্যার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কিনুন এটি মাএ ৩০ সেকেন্ডে ঢাকা থেকে দিল্লিতে আঘাত করতে পারবে। তখন জিয়াউর রহমান বলেন কেন ২৮ সেকেন্ডে পারবে না? আয়োজক বলেন না। তখন জিয়া বলেন দিল্লির কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র আছে যা ২৯ সেকেন্ডে ঢাকায় আঘাত করতে পারবে। আমাদের হাতে সময় আছে ২৮ সেকেন্ড ৩০ না।
কি জিয়াউর রহমান এর কথা বললাম এ জন্য কোন লেবেল রেডি করে ফেলেছেন?
সমস্যা নেই গল্প শেষ হয়নি।
স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের অসামান্য সাহায্য করেছে। ১ কোটি মানুষ আশ্রয় দিয়েছে, তাদের খাবার দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে, প্রশিক্ষন দিয়েছে, কূটনৈতিক সহায়তা দিয়েছে, এমনকি শেষের দিকে সেনাবাহিনি সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে তাতে ১০ থেকে ১৫ হাজার ভারতীয় সেনা মারা যায়। এত কিছুর পরও যুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার সময় ভারত যে প্লেন পাঠায় তাতে আসেননি। অন্য প্লেনে দেশে আসেন। দেশে এসেই প্রথমেই ভারতীয় বাহিনীকে দেশ থেকে বের করে দেন।
এটা কি অকৃতজ্ঞতা? না। এটাই সঠিক। কারন যুদ্ধে ভারত নিজেদের স্বার্থেই সাহায্য করেছে। সম্পর্কটা ছিল যুদ্ধ কালীন । যুদ্ধ শেষ। সম্পর্কও শেষ।
আমাদের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এই দুই নেতার এমন আচরণের কারন আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রধান এবং একমাএ থ্রেট হল ভারত।
এবার আসি মূল কথায়।(ডাউলের মজা তলে)
গতকালের বিদ্যুৎ বিভ্রাট এর কারন ভারত থেকে আসা বিদ্যুৎ লাইনে সমস্যা হওয়া। এর অর্থ কি এই দাঁড়াচ্ছে না ক্ষেপণাস্ত্র, ট্যাংক বা বিমান হামলা দূরে থাক পুরো বাংলাদেশকে অন্ধকার করতে ভারতের থ্রি নট থ্রি এমনকি একটা শর্ট গানের গুলিরও প্রয়োজন নেই।
জাতি হিসেবে আমাদের অব্যস্থান কোথায়???
আমাদের সার্বভৌমত্বের তাহলে এখন কি অবস্থায় আছে????

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৫
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×