
মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কল্যানে জীবনে প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার মধ্যে পরেছি..
তাই অনেক আগে থেকেই ভবছি নিজেরটা নিজেই দিব (অনেকেই উকিল/অন্য সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে দিয়ে থাকে..) কারন শেখা/জানা দরকার আছে , এখন থেকে সারা জীবন এটা দিতে হবে
এ কারনে আজকে অফিস থেকে একটু আগে ভাগেই বের হয়েছি
প্রথমবার এর কারনে একটু এক্সসাইটেড ছিলাম. আয়কর অফিস সম্পর্কে আগে অনেক কিছুই শুনেছি এ কারনে অনেকটা প্রস্তুতও ছিলাম
কারন আমি যেমন স্পষ্টবাদী, মানুষকে সেবা দিতে বদ্ধপরিকর তেমনি সেবা পেতেও তেমনি সর্বদা আশা করি
গিয়ে দেখলাম অনেক ভালো সেবাই পাচ্ছে সবাই..। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত একটানা কয়েকদিন ধরে কাজ করলেও তাদের কারো মধ্যে আন্তরিকতার কোন কমতি নাই !!!
এই না হলো পরিবর্তন। আমরা পরিবর্তনে বিশ্বাসী, পরিবর্তন আমাদের সবারই দরকার
যদিও রিটার্ন জমা দেয়ার পর আমার মত অনেকেউ একটু উত্তেজিত হতে চাচ্ছিল কারন আজকেই না-কি প্রত্যয়নপত্র দিবে না, দিবে সেটা ডিসেম্বর এ..
অনেকেই অনেক দূর থেকে এসেছে, তাকে আবারো একদিন অফিস ফেলে আসতে হবে, অনেকই ৫০ কিমি দূর থেকেউ এসেছে,
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে সবাই বললো বড় স্যারের সঙ্গে কথা বলতে , বড় স্যারের কথাতে আমরা সবাই মোটামুটি সন্তুষ্ট, কারন অনেক ভীর আর সে তুলনায় কর্মকর্তা/কর্ম চারীর সংখ্যা কমই...
প্রথম পর্ব ভালই বলা যায় যদিও প্রত্যয়নপত্র পরে দিবে বলে আমাদের মধ্যে একটু মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছেই..
অপেক্ষা ২য় পর্বের জন্য, যদি কোনো রিটার্ন (
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




