এক ব্লগার সেদিন কমেন্টে বলেছিলেন তিনি নাকি প্রেমে অনেক আহত নিহত হয়েছেন। মজা করেই বলেছিলেন হয়ত। কিন্তু কেন জানি লাইনটা সিরিয়াসলি মাথায় ঘুরছিল। মনে হল লিখে ফেলি এক নিহত প্রেমিকার কথা। ছোট জীবনের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো পূরন করে ফেলা উচিৎ। তাই আমিও লিখে ফেললাম। যা লিখতে চেয়েছিলাম যত গভীরভাবে লিখতে চেয়েছিলাম সেভাবে হয়েছে কি কে জানে! কিন্তু শখ পূরন করে নিজের কাছে ভাল লাগছে।
টিক টিক ঘড়ির কাটা দিচ্ছে জানিয়ে
সময় হাতে আর নেই বেশ
শরীরের প্রতিটি অংগ ঘৃনায় নিয়েছে মুখ ফিরিয়ে
ভালবাসার মানুষটি যে তিলে তিলে করেছে শেষ।
প্রতিটি লাল রক্তকনা নীল তার অপমানে,
শিরা উপশিরাগুলো অবহেলায় ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত,
সর্বদা ক্রন্দনরত আখিঁযুগল ঠিকরে বেরিয়ে যেতে চায়,
চামড়াগুলো খসে পরছে প্রচন্ড লজ্জায়
লজ্জা তার ভালবাসা না পাবার,
অনুশোচনা নিজেকে বিকিয়ে দেবার।
তুমি কেন একবারে মারলেনা আমাকে?
প্রতিদিন ক্ষুদ্র অবহেলায় ছুরি দিয়ে খোচাতে,
খোচাতে হৃদপিন্ড কেন করলে রক্তাক্ত?
পরিষ্কার কন্ঠে বললেনা কেন ভালবাসনা?
চলে যেতে চাও?
সময় চেয়ে ধীরে ধীরে মোমবাতির মতো জ্বালালে,
ঝড়ে পরা পাতাটাকে জোর করে আটকে রাখলে,
আমার শরীরের অংগগুলোর কাছে করো জবাবদিহিতা
মন ক্ষমা করলেও তারা তৈরি করছে বিচারের খাতা।
ক্ষতবিক্ষত অংগগুলো প্রতিনিয়ত আমাকে শুধায়
তোমায় ভালবেসে দিলাম কেন তাদের কষ্ট অবলীলায় ?
নেই কোন উত্তর অপরাধী আমার
জানি ঠিক শরীরের প্রতি করেছি অবিচার
চোখের শিশিরকনাকে আটকে রাখি
তারা যে তোমায় দেয় অভিশাপ নিরবধি
এখনও ভালবাসি সত্যি সৃষ্টিকর্তা সাখী।
মনতো চায়না তোমার ক্ষতি করুক বিধি।
মনে নেই তার প্রতি ঘৃনার ক্ষুদ্র অংশবিশেষ
শরীর প্রচন্ড বিরক্ত মনের অদ্ভুত অপারগত্বে
মন ও শরীরের যন্ত্রনাকর দ্বন্দে প্রচন্ড অসহায়ত্বে
ঘড়ির কাটা এগিয়ে এনে অদৃষ্ট মৃত্যুকে
করে আলিংগন আজই তাই হলাম শেষ ।।
প্রথম দুঃসাহসের পরে কিছু স্বপ্ন, কাচের চুড়ি এবং প্রতিশোধ (একটি কবিতা এবং আমার ব্লগীয় বইন রিপি)
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



