somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৬৩

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রিয়ংবদা,
এই "আই লাভ ইয়্যু" যে কেউ তোমাকে বলতে পারে,যখন তখন,যে কেউ মানে কিন্তু যে কেউ ই!সকাল বিকেল এমনকি কখনও কথা হয়নি সেও।
রাস্তা দিয়ে হাটছ, কোন সুদর্শন যুবক গোলাপ হাতে এক নিঃশ্বাসে বলে ফেলবে "আই লাভ ইয়্যু"ক্লাশ এইটে পড়ছ, দেখতে শুনতে মাশাল্লাহ...হুর পরী। ক্লাশের মাম্মা-ডেডিস বয়টাও তোমায় কলম গিফট করতে বাবার পকেট মারবে! কলম হাতে বলবে, "এই কলম তোমার-আমার ভালোবাসার সাক্ষী! আই লাভ ইয়্যু"
অনার্স লাইফের সেকেন্ড দিনেই ডিপার্টমেন্টের বড় ভাইটা ডেকে বলবে, "মেয়ে, আমার কাছে সকল নোট-শিট পাবা! কল মি। আর শোন, তুমি বড্ড কিউট"
তুমি ভার্সিটি পড়! রোজ তোমার পিছনে বহু ছেলের আনাগোনা থাকবে,সে হতে পারে ডিএমসি বয়, বুয়েট সুপুরুষ কিংবা ঢাবিয়ান। আল্টিমেটলি, সবাই তোমাকে বলবে, "আই লাভ ইয়্য"
"অথবা "
ঠিক কোন এক রাতে এরকম কোন মূহুর্তে প্রত্যেক দিন যে মানুষটি তোমার ছবি দেখে ঘুমতে যায় আবার তোমার ছবি দেখেই ঘুম থেকে উঠে। কোনদিন দেখা হয়নি তারপরও যখন বন্ধুরা তার প্রিয়াকে নিয়ে বাইরে যায়,তখন দাতে দাত চেপে বলে আমারও আসবে সময় আথবা সবার থেকে ভাল হবে সেই দিন,তৈমার ছবি হাতে নিয়ে মুখে অস্পস্ট ভাবে বলে"তোমাকে ছাড়া পৃথিবীতে বাঁচে থাকা কি দুঃসহ !!"
অনেকগুলা রাত চোখের পানি মুছে চলে যায় তুমিহীনতায়।হয়তোবা রবীন্দ্রসঙ্গীতের সবথেকে মধুর গানটাও মন ভাল করে না। সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে তোমার মায়ামুখটুকু কথা ভেবে ঐ কাল্পনিক তোমার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা যুদ্ধ করে কাটিয়ে দেয় নিরন্তর।কতটা কষ্টকর সময় ছিলো ওটা, কতটা তুমি নামক অনুভূতি বাসা বেঁধেছিল তার বুঁকের ভেতরটায়, শুধু তুমিই জানো !!
অথচ দেখো, তুমি এখনো নিশ্চুপ থাক।তবে সে ভালোই আছে,সত্যি ভালই আছে।কারন তার ভাল থাকার কারন তুমিময়তা।
এই মূহুর্তের জন্য ঐ ছেলেটির আফসোস হয়না যখন সে তোমায় ভেবে সারা রাত কাটিয়ে ছিল বরং গর্ব হয় কারন তুমি নামক মেয়েটার ঘাতক চাহুনীতে মরে যেতে থাকে সেই ছেলেটা প্রতিদিন। গর্ব কারন এ নিশ্চিত আগস্ত যাত্রা শুধু তোমারই কারন। কারন সকাল বিকাল একহালি ভালবাসি বলার জন্যে পাওয়া যায় কিন্তু কয়জন পারে প্রিয়তমার জন্য অনন্ত অপেক্ষা করতে?
জীবনটা এমনই হুট করে জীবনে ঝড় আসে ।সেই ঝড়ে সব ওলটপালট হয়ে যায়।এই ছেলেটাও কি আগে ভেবেছিল এমন করে কোন এক অসম্ভব মায়াবতীর চোখের কাজলে প্রতিদিন খুন হবে।
মাঝে মাঝে কি মনে হয় জানো তোমার সাথে যখন ছেলেমানুষিগুলো করি হঠাৎ করে ভেবে নিজেকে ভীষণ বোকা বোকা লাগে।হঠাৎ করে দু গাল হেসে নি।তবে,মাঝে মাঝে বোকা হতেও বড্ড ভালো লাগে।সেটা তুমি বলেই লাগে।
আমি জানি শুধু ভালোবাসলেই হয়না,ভালোবাসার মানুষকে পাওয়ার চেষ্টা করতে হয় পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়।অপেক্ষার শেষ মূহুর্তেও যদি না পাওয়া হয় তবুও সেখানে একধরনের আত্মতৃপ্তি কাজ করে ভালোবাসার তৃপ্তি,অপেক্ষার তৃপ্তি।
গর্ব হয় কারন সেই হাসি অপেক্ষার হাসি,ভালোবাসার হাসি ও অনেকদিনের দৃঢ়তার হাসি।
তোমাকে ভালোবাসায় আমার ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই।আছে দৃঢ় প্রত্যয়,একাগ্র কামনা,অদম্য চাওয়া আর আছে অপেক্ষা শুধু তোমার জন্যে অনন্ত এ অপেক্ষা।
প্রথম গুলো অনেকেই পারে কিন্তু তোমাকে যে খুব সাধারন ছেলেটির কথা বললাম যে তোমাকে স্বপ্নের মধ্যে নিয়েই দিন অতিবাহিত করে।সে যে আমি তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না তবে যেটা বলার অপেক্ষা রাখে সেটা হলো ছেলেটির আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে অদ্ভুত তুমিময়তা।আজন্ম তোমাকে চাওয়া হে আমর চির কাঙ্খিতা।
তোমার
একলব্য
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×