আমি তোমাকে ভালোবাসলেই যেনো
মনে হয় তোমার মতন আর কেউ নেই!
মরে মরেও বেঁচে যাই বারংবার,
আমার শ্বাস আটকে যায় নিশ্চিত মৃত্যুর মতন!
তোমাকে দেখলেই জীবন ফিরে পায় প্রাণ ;
তুমি তবু আছো দূরে মরীচিকার মতন,একটুখানি ছায়ার মতন,আলো ভেবে ধরতে যাওয়া-
তুমি ঠিক আমার আজন্ম হাহাকারের মতন!
তোমার আলিঙ্গনে এক একটি মুহূর্ত যেনো হাজার বছর বেঁচে থাকার মতন,তোমার বাহুডোরে বাঁধা একটি বিকেল,তোমার সাথে চলা প্রতিটি সকাল;
তুমি বাসলেই ভাল আমি কেমন করে জ্বলে মরি!
মনে হয়-এইতো কেবল বয়স কুড়ি!
আমি তোমাকে ভালোবাসলেই যেনো হাতের মুঠোয় নিয়ে পাড়ি দিই পৃথিবী;তোমাকে একটু কাছে পাওয়ার আকুতি,আযানের করুন সুরের মতন!
হাজার বছরের তৃষ্ণা শেষে অধর ছোঁয়ার মতন
যে সুর হয়ে বাজে,আজো থামেনি! তোমার চারিপাশে আযানের সুর হয়ে বাজে আমার অদম্য আকুতি।
তুমি আসলেই জীবন ও মরণের মাঝখানে যেনো বুঝতে পাই তীব্র ব্যবধান।
তুমি আমার আপাদমস্তক ছুঁয়ে পুরো আকাশ জুড়ে আছো,হৃদয় জুড়ে আকাশ,নিঃশ্বাসে জুড়ে স্নিগ্ধ বাতাস, বুকের মাঝে এক টুকরো সলতে হয়ে হরদিন তুমি জ্বলে উঠো!
তোমাকে দু'চোখে একবার দেখার জন্যেই পদতলে বিদ্ধ করি শত শত কঙ্কর।তবু তোমাকে দেখার পরই কেমন যেনো পাই,তোমার গায়ের কিছু গন্ধ আতর!
তোমার চাহুনী যেনো পশমি চাদর;
আমার বাসনা হয়, কামনা হয়, মনে হয় জড়ো করি ও বক্ষে পৃথিবীর সমস্ত সুতীব্র আদর।
তোমাকে আমার পেতেই হবে এমনকি নীরবতায় বলি তোমাকে অনেক কথা।তোমার নামে আমার সকল গল্প গাঁথা;
একবার তুমি আসলেই সব মুছে যাবে,এমনকি সকল কান্না হাহাকার ও বিষাদব্যথা!
একবার পাওয়া হবে এমনটা ভাবতেই মনে হয় সব অলীক মায়া চোখের তারায় সমস্ত সুখ
প্রদীপ জ্বালে,তুমি যেনো আলোকিত করছো
আমার না পাওয়া হৃদ দরজায়!
তোমাকে পাওয়া হবে ভাবতেই দূর আকাশে হাজার তারকারাজি কুয়াশা হয়ে নেমে আসে,
বুকের ভেতর বাম পাশের উঠোনে তোমাকে দেখলেই বুঝি আমার চাওয়া সাধারন নয় ছিলো অভিজাত।
তুমি মানবী নও পাখি কিংবা স্বর্গের পারিজাত!
আমি তোমাকে ভালোবাসলেই যেনো মনে হয় আমার একটা তুমি আছো,আমার সমস্ত সব ভুলের মতন,আমার শত ক্ষতের মতন;
তুমি আমার একজীবনের সমস্ত হাহাকার,
তুমি আসলেই যেনে মরেও বেঁচে যাই বারবার!
তুমি তো আর নও কোনো সাধারন মানবী!
পৃথিবীর একোণ থেকে ওকোণে তবু আমি হৃদয়ে তোমাকে ধারন করি আর কাউকে দেখি না, এ আমার চরম পক্ষপাত! আমি অবশ্যই কারচুপি করি!
তোমার আঙ্গুলের নির্দেশে আমার সমস্ত শয়তানি হয় জব্দ!
আজ সুনিল গঙ্গোপাধ্যায় হলে তোমাকে জানিয়েই দিতাম তোমার-
"ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠেয়ে প্রাণ নিয়েছি, দূরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়।
বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮টা নীল পদ্ম।"
সানবীরের দ্বিতীয় অধ্যায় (সানবীর খাঁন অরণ্য)
২৪.৫.১৮
আগাঁরগাও,ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




