somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

একজন নীলমেঘ
মানুষ পাহাড় ডিঙায়, পর্বত ডিঙায়, আমি সময়কে ডিঙাতে পারি না। আমি এক জায়গায় জড় হয়ে বসে থাকা মানুষ, ঘূর্ণনশীল পৃথিবী ঘুরবে, আর আমি তার গতিতেই এগিয়ে যাবো। মানুষের ভালো ব্যবহারগুলো সব মরিচীকা, কোথাও সুখ নেই, চারিদিকে অহেতুক সৌন্দর্য।

পড়ুয়া উৎসব

৩০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কম বেশি সকলের বাসাতেই দু-চারটা বই পড়ে থাকেই। একটা বই পড়ার পর সেটা আপনার বাসায় শুধু শোভা বাড়ানো ছাড়া আর কি খুব বেশি কাজে আসে? হয়ত আলমিরার এক ফাঁকে পড়ে থাকতে থাকতে একদিন সেটা নষ্ট হয়ে পড়ার অনুপযোগী হয়ে পরে।
অন্যদিকে দেশের ৯০% এর উপরের স্কুলে কোন লাইব্রেরী বলতে কিছুই নেই। একটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা অনেক ইচ্ছা থাকলেও পায় না দুই-চারটা বই, সেখানে আপনার বাসায় অবহেলিত হয়েই হয়ত পড়ে আছে অনেক বই!

এসব অবহেলিত বই গুলোই হয়ত ফুটিয়ে তুলতে পারে হাজারো শিক্ষার্থীর গোমড়া মুখের হাসিগুলো। আপনার বাসায় ১০০০ খানেক বই এমনিই পড়ে থাকার চেয়ে সেই বই দিয়ে একটা লাইব্রেরী গড়ে উঠেছে এটা কি আরো বড় গর্বের ও সম্মানের নয়?

এই পরিকল্পনা নিয়েই কাজ শুরু করেছে Light of Hope সংগঠনটি, প্রকল্পের নাম ও তাই " পড়ুয়া"। আপনিও চাইলেই এই প্রকল্পের একটি অংশ হতে পারেন, পৌঁছে দিতে পারেন আপনার পুরাতন বইটি দেশের যেকোন স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য।

এপর্যন্ত তারা দেশের বিভিন্ন জেলায় ৭০টির মতো লাইব্রেরি করতে সক্ষম হয়েছে, তবে স্বপ্ন এখানেই শেষ নয়। লক্ষ্য অনেক বড়। দেশের প্রতিটি স্কুলেই পৌঁছে দিবে তারা লাইব্রেরি, আর সে লাইব্রেরি গুলোর যেনো সঠিক ব্যবহার হয়, সেটার প্রতিও তারা খুব সতর্ক।
তবে এ স্বপ্ন শুধু মাত্র তখনি সম্ভব, যখন আপনি, আমি, আমরা সকলেই এগিয়ে আসবো। পাশে দাঁড়াবো এই সংগঠনটির, তবেই আমরা সফল হবো আমাদের আগামী প্রজন্মকে সুন্দর একটি বাংলাদেশ দিতে।

এবছরের লক্ষ্য ১০,০০০ গল্পের বই সংগ্রহ করা এবং ৫০টি লাইব্রেরি করা।
বই সংগ্রহ করা হবে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত।
তাই দেরি না করে এগিয়ে আসুন নাহয় ১টি গল্পের বই নিয়েই। সেই বইটি পৌঁছে দেয়া হবে একজন নতুন পড়ুয়ার হাতে। ^_^
বই দিতে যোগাযোগ করুনঃ০১৯৪৪৯১২৭২৯ নাম্বারে

আর শেয়ার করে দিন এই উদ্যোগের কথা আপনার সকল পরিচিত মানুষের সাথে, যেনো তারাও এগিয়ে আসতে পারে আমাদের সবার সাথে। :)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:৩২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×