সম্প্রতি খিলগাঁওয়ে শিমুল চন্দ্র নামে এক বখাটের উৎপাতে ৪র্থ শ্রেণীতে পড়া উম্মে কুলসুম নামের একটি মেয়ে আত্মহত্যা করে মারা গেছে। কাকতালীয়ভাবে এখানে বখাটে ছেলেটি হিন্দু আর নির্যাতনের শিকার মেয়েটি মুসলমান। ফলে সাম্প্রদায়িক একটা গন্ধ ছড়ানোটাই ছিল স্বাভাবিক?
তবে এবেলা আমাদের মিডিয়া ও কচুপাতার পানি টাইপ ধোন পুন সংগঠনগুলো কিন্তু বেশ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়নি।মিডিয়া ফলাও করে সংবাদ প্রচার করেছে ‘বখাটের হাতে কিশোরির মৃত্যু’।অশ্ব ডিম্ব রক্ষার কাজে নিয়োজিত সংগঠনগুলোও ছিল শান্ত। সত্যটা আসলে তা-ই হবে। বখাটে তথা অপরাধীদের কোনো জাত, ধর্ম, বংশ নেই।ওরা সবার জন্য ক্ষতিকর।মিডিয়া বিষয়টা উপলদ্ধি করে অপরাধের শাস্তি চেয়েছে এজন্য তাদের ধন্যবাদ।
কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ঘটনার চিত্র যদি এর উল্টো হতো।মানে উম্মে কুলসুমের জায়গায় রাখি দাস নামে কোনো কিশোরী মারা যেত। আর এ মৃত্যুর জন্য দায়ী হত মো. হাসিব নামের কোনো মুসলমান ছেলে। তখন বখাটের বড় বড় পরিচয় হতো সে মুসলমান। আর আমাদের মিডিয়া হয়ে যেত লাগাম ছাড়া।তারা ব্যানার হেডলাইন করত ‘সংখ্যালঘু' কিশোরীর আত্মহত্যা।আর বিভিন্ন আগাছা সংগঠনগুলো ন্যাংটা হয়ে ক্রন্দন শুরু করত-মুসলমানদের হাতে আর কতদিন সংখ্যালঘু নির্যাতন!
তখন কিন্তু বিদেশী টাকার কাছে মিডিয়া ও সমাজকর্মীদের বিবেক মার খেতো। তারা এই অপরাধের ঘটনাটাকে একটি সাম্প্রদায়িক রুপ দিত।অতীতের আরও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা টেনে এনে লেজ বড় করত?
ওহ সেসব কথা বাদ। আজ আশা করছি উম্মে কুলসুমের মৃত্যু নিয়ে মিডিয়া যেভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে ভবিষ্যতে কোনো রাখি দাস মারা গেলে তারা একইভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিবে।জাত ধর্ম ভুলে সবার আগে অপরাধীর, অপরাধের শাস্তিটাই চাবে।শুধু শুথু চুলকানি দিয়ে পাছা গরম করার চেষ্টা করবে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



