দুপুর ২টায় কলাবাগান নামলাম একটা কামে। কাম করমু কেমনে? মানিব্যাগে শুধু ৫ টি টাকার লুছনি মার্কা একখানা নোট।
আশে পাশে খুইজা পাইলাম এক খানা ঢাছ বাঙ্গা ভ্যাংক এর বুথ। গিয়া দেখি লাইন। গরমে ঘামতে ঘামতে ৪-৫ জনের পরে ঢুকলাম।
১০০ টাকার এমাউন্ট সহ কিছু টাকা চাইলাম বুথ মামুর কাছে করলাম। যথারীতি মামু কইলো ১০০ নাই, ৫০০ ল। কত্ত মহৎ।
চাইলাম এইবার ৫০০ দিয়া একটা এমাউন্ট। কতখন ঘড় ঘড় করল। ঘড় গড় করতে করতে মামু খানা আমার মইরা ই গেলো। মানে কারেন্ট এক্কেবারেই গেলো গা। আর আমার মাস্টোর কারড খানা মামুর গলার ভিতরে আটকাইয়া গেলো।
আশে পাশে আর কাউরে খুইজ্জা পাইলাম না। না পাইলাম আমার পিছনে ছিলো যারা তাদের, না পাইলাম কুনু দারোয়ান শালা রে। দারোয়ান একটা পাইলে আইজ
তো অতি আতঙ্কিত হইয়া ফোন দিলাম মামুর হ্যবলা ক্যবলা কেয়ারটেকার গুলারে। এইখানেও জ্বালা। এক বেডি কয় এইডা টিপেন, ওইডা টিপেন।
দৌড়াইয়া গেলাম সেখানে। গরমে রইদে আমি কুত্তার মত অইয়া গেলাম। এদিকে ৫ টার আগে ভার্সিটির ফী, ৬ টার মদ্ধে ডেটিং প্লেসে যাইতে অইবো। তাহাদের হাতে পায়ে ধইরা বহু কথা শুইন্না বহুক্ষনে কিছু ট্যাকা পাইলাম।
আমারে কয় চ্যাক বই লগে রাখিনা ক্যান। আপনারা ই কন ১ হাত লাম্বা চ্যাক বই সাথে রাখা যায়? তাছাড়া চ্যাকের একটা পাতা ভাঁজ কইরা মানিব্যাগে রাখলে ও পরে সেটা দিলে হাজার বার ফরিক্কা কইরা কর্কশ গলায় ট্যাকা দেয়, আমার অভিজ্ঞতা আছে।
অবশেষে আমারে কইলো ৭ দিন পরে আইসা কার্ড লইয়া যাইয়েন।
আইচ্ছা, এইবার আপনেরা ই কন কার্ড টা যে মামুর গলার ভিতরে আটকাইলো এইটা কি আমার দুষ? মামুর কারেন্ট কি আমি খাইয়া ফালাইছি? মামুর আই পি এস নাই? মামুর কুনু গার্ড ও নাই যে দেখবো অনেক্ষন আই পি এস চইল্লা এহন বন্ধ হঊয়ার সময় অইসে, ভাইগ্না গরে মামুরে টিপতে বাধা দেই?
তাইলে আমি ক্যান এত ভুগুম আপ্নেরাই কন।
এখন থেকে আপনারা সবাই বুথ দেখে ঢুকবেন মানে কারেন্ট আছে কি নাই, হঠাত চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না এসব দেখে ঢুকবেন আর কি। আসলে ভোগান্তির কথা আর কি বলবো, আজ এক অভিজ্ঞতা হলো, কাল হয়তো আরেক ভোগান্তি দেখাবে তারা, হয়তো বুথ মামু েইবার আমারেই ধইরা ভিতরে আটকাইয়া রাখবো

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



