somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দক্ষিন এশিয়ার অর্ধেক মানুষ জলবায়ুগত সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দুতে বসবাস করছে

০৮ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যেখানে দেখানো হয়েছে যে দক্ষিন এশিয়ার অর্ধেক মানুষ জলবায়ুগত কারণে সবচেয়ে ঝুকির মধ্যে রয়েছে মূলত দুটি কারনে। একটি হচ্ছে অত্যাধিক তাপমাত্রা ও আর একটি হচ্ছে শুষ্কতা বা মরুকরণ। প্রায় ৮০ কোটি লোক ২০৫০ সালের মধ্যে মধ্যম মাণের ঝুকি থেকে চড়ম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে। এই অঞ্চগুলোর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও মরুকরণের সাথে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃষ্টিপাত কমতে থাকে এবং তাতে যা ক্ষতি হয় ত প্রায় জিডিপির শতকরা ২.৮ ভাগ। এভাবে কমতে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি দুইজনে একজনের জীবনমাণ নেমে যাবে চড়ম দরিদ্র সীমার নীচে। এর মদ্ধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলাদেশের সেইসব ক্ষতিগ্রস্থ অঞ্চলের লোকেরা এবং এক্ষেত্রে তাদের ক্ষতির সম্ভবনা প্রায় জিডিপির প্রায় শতকরা ১.৪ ভাগ।

তথ্য সূত্র: Half of South Asia living in vulnerable climate hotspots: World Bank



তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ হিসাবে যে কারণটা সবচেয়ে বেশী উল্লেখযোগ্য তা হচ্ছে কার্বন বা জীবাস্ম জ্বালানী বা সোজা কথায় তেল পোড়ানো। এই তেল পোড়ানোর উপর বিশ্ব ব্যাংকের একটা রিপোর্ট আছে। বাংলাদেশের প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে ১২২২ জন (২০১৪) এর তথ্য অনুযায়ী। তার মানে একজনের জন্য বরাদ্ধ ৮৮০৮ বর্গফুট, ১২ কাঠা বা ২০ শতাংস জায়গা। ওয়ার্লড ব্যাংকের Energy use (kg of oil equivalent per capita) হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৩ তে জনপ্রতি বছরে ২১৬ কেজি মানে দিনে ০.৫৯ কেজি মানে প্রতি বর্গকিমিতে ৭২৩ কেজি তেল পোড়ানো হয় যা আগামী পাচ বা দশ বছরে দ্বীগুন হবে। দেশের প্রতি বর্গকিমিতে (জাতীয় সংসদ ভবন এর মূল এলাকাটা প্রায় ১ বর্গ কিলোমিটার) যদি প্রতিদিন ৭২৩কেজি তেল এবং ভবিষ্যতে ১৪৪৬ কেজি বা প্রায় দড় টন তেল পুড়ে সে দেশের জলবায়ু কিভাবে স্বাভাবিক থাকবে আমার মাথায় আসে না। দেশ তো পুড়ে কয়লা হয়ে যাবে, এখনিতো শীতকাল উধাও হয়ে গেছে বাংলাদেশ থেকে আর কিছুদিন পর মরুভূমি দেখতে পাব। ব্যাপারটা যে কত ভয়াবহ হবে তা হয়ত কেউ আনদাজ করতে পারছে না।

তথ্য সূত্র: Energy use (kg of oil equivalent per capita)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চেয়ারের আত্মকথা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩০


চেয়ারের আত্মকথা

চেয়ারটি নাকি একদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল, "মানুষ আমাকে যতটা ভালোবাসে, আমাকে বানানো কাঠটাকেও যদি ততটা ভালোবাসত, তবে পৃথিবীতে এত অহংকার জন্মাত না।"

আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"

চেয়ারটি বলল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×