somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মালয়েশিয়ার প্রচলিত গল্প- ৫ সোনালী সূঁচ রাজকন্যা এবং কালিঙ্গার রাজা।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মালয়েশিয়ার প্রচলিত গল্প- ৫
সোনালী সূঁচ রাজকন্যা এবং কালিঙ্গার রাজা।


অনেক দিন আগে সোনালী সূঁচ রাজকন্যা নামে এক রাজকন্যা ছিলেন। তাঁর পিতা সুলতান মাওলানা ছিলেন ইন্দেরা পাঞ্চালার রাজা।

রাজকুমারী যেমন ছিলেন সুন্দরী তেমনি ছিলেন চালাক চতুর। অনেক রাজ কুমারই তার প্রেমে পড়েছিল। এমনকি কলিঙ্গার রাজা তাঁর পাণি গ্রহণ করতে চাইলেন। কিন্তু রাজকুমারী তাকে ফিরিয়ে দিলেন। ফলশ্রুতিতে, কলিঙ্গার রাজা খুবই রেগে গেলেন।

কলিঙ্গার রাজা তাঁর দূতকে সুলতান মাওলানার কাছে সতর্ক বার্তা দিয়ে পাঠালেন এই বলে যে, রাজকুমারী যদি তাকে বিয়ে করতে রাজি না হয় তাহলে তিনি ইন্দেরা পাঞ্চালা রাজ্য আক্রমণ করবেন।

এই বার্তা পেয়ে রাজা ও রাণী খুব ভেঙ্গে পড়লেন। তারা রাজকুমারীকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমরা এখন কি করবো”?
“ চিন্তা করো না , বাবা ও মা। আমি তাকে তাড়ানোর জন্য একটি পরিকল্পনা করছি”।
রাজকুমারী তখন দূতকে বললেন, আপনি কলিঙ্গার রাজাকে বলবেন আমি তাকেঁ বিয়ে করতে রাজি আছি। কিন্তু আমার কিছু শর্ত আছে। প্রথম শর্ত, তিনি আমার জন্য দশ বাক্স স্বর্ণের সূচঁ আনবেন। পরবর্তীতে তিনি অবশ্যই মহাসাগরের মাঝে জাহাজে অপেক্ষা করবেন যতক্ষণ না প্রাসাদে সূচগুলো গণনা শেষ না হয়।

শিগগিরই রাজার দশ বাক্স সোনালী সূঁচ নিয়ে এসে হাজির হলো। সেগুলোকে গণনা করার জন্য প্রাসাদের ভেতর নিয়ে যাওয়া হলো।

দুই সপ্তাহেও রাজার কর্মচারীরা সূঁচগুলো গণনা শেষ করতে পারলো না। কলিঙ্গার রাজা অস্থির হয়ে পড়লেন । তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তিনি নাবিকদেরকে তার বাড়ির উদ্দেশ্যে জাহাজ চালাতে আদেশ করলেন।
যখন রাজা কুমারীর বাবা-মা দেখলেন দুষ্ট রাজার জাহাজ পাল তুলে চলে যাচ্ছে তখন তারা আনন্দে হেসে উঠলেন।
“মা মনি, তুমি কালিঙ্গার রাজাকে উচিত শিক্ষা দিয়েছ”। সুলতান মাওলানা গর্বের সাথে বলে উঠলেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×