কোন সমস্যা নাই। কেউ আর লিখবে না, গাইবে না আর কলম; কিবোর্ডে সুমদূর শব্দ তুলে আর টাইপ হবে না কিছুই! কলম থেকে এখন কালির বদলে শুধুই রক্ত ঝরবে; কি-বোর্ডের হৃদপিন্ড এখন ছিন্ন-ভিন্ন হবে, তবুও আর কোন লেখা হবে না।
খুব কষ্ট হয় যখন শুনি শুধুই লেখার কারনে তাদের খুন হতে হয়! হুমায়ুন আজাদ স্যার, রাজীব হায়দার থেকে এখন অভিজিৎ রায় পর্যন্ত! জানি না এতে খারাপ লাগে নাকি? আমার খারাপ লাগার পরিবর্তে অদ্ভুত শিহরন জেগে ওঠে মনে! কেন জানি নিজেকে অভ্যস্ত মনে হয়। লিখতে গিয়েও লেখার বদলে হাত কেপে ওঠে, মনে জেগে ওঠে একরাশ ভয় আর হতাশা। অনেক নাটক হবে এবার, আই ওয়াস হবে; হুজুগে বাঙ্গালী কিছু দিন নাচানাচি করবে। আবাল সুশীলদের ঘ্যানঘ্যানানিতে টিভি চ্যানেল কানপাতা দায় হবে! এরপরে সব আবার গায়েব! এযেন এদেশের রুটিন কর্মসূচি! এ কোথায় আছি আমরা? জানতে খুব ইচ্ছে করে। খুব জানতে ইচ্ছে হয় আর কি কি বিষয়ে এদেশে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আছে?
বাচার মত বাচতে খুব ইচ্ছে করে। তবুও বেচে থাকা যেন গন্ডারের চামরা নিয়ে অভিভাবক হীন রাস্তার কুকুরের মত!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


