সন্ত্রাসের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল’। এতে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকারী, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী, রাষ্ট্রের সম্পদ বিনষ্টকারী, বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারকারীসহ হত্যা ও গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচার হবে। এসব অপরাধের বিচার ছয় মাসের মধ্যে বিশেষ আদালত সম্পন্ন করবে। এমন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেবে। এর বাইরেও ট্রাইব্যুনালকে অতিরিক্ত অর্থদণ্ড দেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালকে অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হচ্ছে। মামলা নিষ্পত্তির জন্য বেঁধে দেওয়া হচ্ছে ছয় মাস সময়। কোন ব্যক্তি অপরাধ করার উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক দ্রব্য, দাহ্য পদার্থ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা বা নিজ দখলে রাখা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কোনো সশস্ত্র সংঘাতময় দ্বন্দ্বের বৈরী পরিস্থিতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেনি এমন কোনো বেসামরিক, কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো বা জখমের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা, যার উদ্দেশ্য, কোনো জনগোষ্ঠীকে ভীতি প্রদর্শন বা অন্য কোনো সরকার বা রাষ্ট্র বা কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাকে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য রাখা অপরাধ। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন অপরাধের বিচার হবে। বিশ্বের যেকোনো দেশের নাগরিক বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য জনসাধারণ বা জনসাধারণের কোনো অংশের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে সরকার বা কোনো সত্তা বা কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজ করতে বা করা থেকে বিরত রাখলে বিষয়টি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। কোনো ব্যক্তিকে হত্যা, গুরুতর আঘাত, আটক বা অপহরণ করা বা করার চেষ্টা করা ট্রাইব্যুনালের বিচারযোগ্য বিষয়। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা প্রজাতন্ত্রের কোনো সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করা বা করার চেষ্টাকে অপরাধ হিসেবে দেখবে।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৬ বিকাল ৩:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

