বদলে যাচ্ছে ঢাকা শহর। বিশ্বে বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে ঢাকাকে অন্যতম নিকৃষ্ট শহর বলার দিন শেষ হতে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সকল প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হলেই আগামী দুই বছর পর বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে মানুষ আসবে ঢাকা শহর দেখতে। একই সাথে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ৫ হাজার ২০০ সিসি ক্যামেরা বসানো হবে এবং অতি দ্রুত উন্নতমানের পরিবেশবান্ধব এলইডি বাতি লাগানোর কাজ শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে হাজার খানেক ক্যামেরা বসানো হয়েছে। শুধু তাই নয় ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে ডিএনসিসি এলাকার ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে ২১টি ইউলুপ করা হচ্ছে। একটা সময় ছিল যখন আমরা গ্রীন ঢাকার কথা বলতাম। বিলবোর্ডের জন্য আকাশ দেখা যেত না। প্রেমিকা ডাক দিলে দূর থেকে শোনা যেত না। এই বিলবোর্ডগুলো আপসারন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের বলিষ্ঠ প্রচেষ্টায় প্রায় ২০ হাজার বিলবোর্ড ঢাকা শহর থেকে আপসারন করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকার সুন্দর্য বৃদ্ধিতে গত বছরে এই শহরে ৩২ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এ বছর আরও বেশি চারা রোপণ করা হবে। ডিএনসিসি’র বর্জ্যবাহী গাড়ি স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত সড়ক বর্জ্য পরিবহন করে ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাবে। ঢাকায় প্রতিবর্গ কিলোমিটারে লক্ষাধিক লোকের বাস। ফলে এখানে ইচ্ছে করলেই অতি দ্রুত কোন কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতোমধ্যে গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, মহাখালী ও আশপাশের এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই এসব এলাকার সড়কে উজ্জ্বল আলোর এলইডি বাতি বসানো হবে। গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর পরিস্থিতি অনেকটা বদলে গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সোসাইটি মিলে গুলশান, বনানী, বারিধারার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বদলে যাচ্ছে ঢাকা শহর। সকল কাজ বাস্তবায়ন হলে ঢাকা শহর অপরিচ্ছন্ন থাকবে না, যানজট মুক্ত হবে এই ব্যস্ততম শহরটি। বর্তমান সরকার ঢাকা শহরকে বদলানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ কাজ করে যাচ্ছে। দেশের জনগণ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



