তোমাদের ঘামে গড়া অট্টালিকায় আমাদের বসবাস
তোমাদের স্কন্ধে চড়ে আজিকে আমাদের সব আনন্দ- উল্লাস;
তোমাদের শক্তিশালী পেশি আর সূর্যদগ্ধ কৃষ্ণ আবরণে—
বয়েছো কষ্টের পাহাড় সৃজেছো মায়বন বিহার এই ভূবনে।
তোমাদের হাতে,
ঘুরছে রাজশ্রীর চাকা, মানবের ললাটে
দিয়েছো ঢেলে থোকা থোকা সোনা;
তাই বুঝি তোমাদের ললাটে এতই ভোগান্তি —যায় না যে তা গুনা।
রানা প্লাজায় ধ্বস, তাজারিনে পোড়ে ছাই
তোমাদের বুঝি ত্যাগের সীমা- পরিসীমা নাই।
সেই পেশীবহুল সে হাত— যা দিয়ে আমাদের পৃথিবী গড়ো
সেটির যতনে ভ্রুক্ষেপ নাহি আজ আমাদের কাহারো,
তাই অযাচিতের মত সব অগ্নিদহন —দহনে দহনে ছাই
তোমাদের যেন ভোগান্তির সীমা নাই;
আমাদের অধিকারে প্রাসাদ গড়ে চল ,অথচ তোমাদের অধিকার নাই!
বছরের এই দিন
মানুষের মনে প্রশ্ন ছুড়ে দাও —
"ভেবেছো কী কোনদিন?"
শ্রমিকের শ্রম ছাড়া —যায় না যে গড়া সুখের একটি দিন।
তোমাদের শ্রম ছাড়া —
মানব সভ্যতার যা কিছু আছে সবই অবাস্তব— সবই আধারে লীন।
আজিকার এই দিনে শ্রদ্ধবণত মনে
বলছি তোমাদের কথা কবিতার ছলে
যতটুকু রঙ আছে আমাদের এই রঙ মহলে
সবই তোমাদের দান—
তাই কুর্নিশ তোমাদের ,তোমরা যে ভগবান।
করিতেছি শুভকামনা ,আজকের মহেন্দ্র এই দিনে আর কোন অবিবেচনা নয়;
বর্ষ পরিক্রমার সব গুলো দিন যেন মেহনতি মানুষের হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১৪ সকাল ৮:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



