দেবদাস
গতাকাল তিনজন কলিগের স্ত্রী বাংলাদেশে চলে গেছে। তাই সেই দুঃখ ভুলতে তারা পুরোনো রাস্তা বেছে নিলেন। লাল দুঃখ নীল দুঃখ সব মিলে মিশে একাকার হলো। তাদের খুব ফুরফুরে দেখাচ্ছিল। এর মধ্যে যার স্ত্রী এখনো যায়নি সেও অংশ নিয়েছে। তার জোরালো যুক্তি পরের সপ্তাহে তার স্ত্রী যাচ্ছে সেই দুঃখে সেও দেবদাস হলো। এ লাল রং কাব মুঝে ছুড়েগা ।
কঞ্জুস
আমার কলিগ মিঃ ক। দারুন স্ত্রৈণ। কোথাও বেড়াতে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুললে কড়া জবাব দেন। স্ত্রী ছাড়া তিনি কোথাও বেড়াতে যান না। স্ত্রীকে দেশে ফেলে পরদেশে বেড়ানো তার কাজ নয়। যথা সময়ে ভাবী আসলে তার কাছে মিঃ ক এর তার প্রতি ভালবাসার উদাহরণ দিলে । একটা এলাচি হাসি দিলেন ।
বিড়ম্বনা
আমার এক কলিগ অন্য কলিগত্রয়ের স্ত্রীকে নিজে গাড়ী ড্রাইভ করে লিফট দিয়ে বিদায় দিতে গিয়ে ভুল পার্কিং করার দায়ে একশ রিংগিত জরিমানা গুনলেন।
বিস্ময়
তানভীর ভাই পাকিস্তানের একটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাবলীগ করেন। আমরা একদল বাংলাদেশী মালয়েশিয়া আসলে। আমাদের বাসা ম্যানেজ করার জন্য সর্বোচ্চ সহায়তা করলেন। তার গাড়ী দিয়ে সঙ্গে থেকে পরামর্শ দিয়ে অকল্পনীয় সহায়তা করলেন । আমি তাকে উপেক্ষা করে চলছি ভেবে নিজেই ১৯৭১ এর ব্যাপারটা জঘন্য ছিল বলে উল্লেখ করলেন! এবং আমি কি এজন্য তাকে উপেক্ষা করছি জানতে চাইলেন!
ব্যান ব্লগার
একজন পি এচডি ছাত্র আমাদের সর্বাত্নক সহায়তা করেছেন। আমি ব্লগার ব্যাপারটি জানলে তিনিও এক সময় ব্লগার ছিলেন জানালেন । সবসময় প্রয়োজনের সময় মানুষের পাশে দাড়ালেও তার ব্যাপক প্রভাব এখানে। পরে জানা গেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম স্থান অধিকার করার পরও একটি সংগঠন করার কারণে তিনি টিচার হতে পারেননি । তিনি রগ কাটার মত লোক নন। সবচেয়ে বড় কথা তিনিও ব্লগার ছিলেন।যদিও ব্যান ব্লগার।সব ব্লগার বোধ হয় প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাড়ায়।
প্রচন্ড
এখানে প্রচন্ড বজ্রপাত হয়। একের পর এক প্রচন্ড শব্দে ক্রমাগত বজ্রপাত।ব্যাঙ গুলো প্রচন্ড শব্দে ডাকতে থাকে বৃষ্টির পরে। এটা শুনে সুপ্রিয় ব্লগার কুনোব্যাঙের কথা মনে পরে ।
লজ্জা
কেএলসিসিতে চলার পথে সুরঙ্গ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সায়েম মুনও ছিল বোধ হয়। দুজন লেবার শ্রেণীর লোক বসে আছে আমরা দাড়িয়ে আছি।দুজনের একজন মালয়েশিয়ান আরেকজন ইন্দুনেশিয়ান্। ইন্দুনেশিয়ান আমার এক কলিগকে বলছে বাংলাদেশের মানুষ এই দেশে আসছিল কাজ করতে মালয়েশিয়ানদের টু****থ করে সন্তান উৎপাদন করে টাকা পয়সা নিয়ে ভেগে গেছে।আ্মার সেই সুদর্শন কলিগ আবার ইয়ে কথার এক্সপার্ট।আমরা অপ্রাসঙ্গিক কথায় লজ্জা মাথা হেট করলাম।পরে অনেকের কাছে এরকম কথা শুনেছি।বলতে গেলে প্রথম এটা শুনে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
মধুর
পিংক মসজিদে বেড়াতে গেলে।স্পস্ট শুনতে পেলাম এক ভদ্রলোক স্পস্ট বাংলায় তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন।বাংলা যে কত মধুর ভাষা এখানে না আসলে সেটা পুরোপুরি বুঝতাম না ।
মরার উপর খড়ার ঘা
নিয়মিত লেখাপড়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে বাহাসা মালায়ু কোর্স ।অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ওটা এতটা মেন্ডেটরি নয়।কোথাও একটি কোর্স করলেই হয়।আর এখানে দুটি কোর্স করা আবশ্যক।ছায়া সুকা বাহাসা মালায়ু ।
--------------------------অসমাপ্ত--------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



